বাভালী বুদ্ধিজীবী মানস ৯৩০ সমাজভ্ভাবনা

মিহির আঙগাখ

০০০... 2, |] £4£ টিটি, নিত খে

শি

0 খক সমাবেশ

39176911 130001)11101 1191795 0) ১21779] 131192109, 0৮ [১111)]" £১017915%

প্রথম প্রকাশ জুলাই ১৯৩৫

প্রকাশক £

লেখক সমাবেশের পক্ষে

শান্তি আচার্য

১৭২/৩৫ আচার্ধ জগদীশ বস্থ রোড কলকাতা-১৪

মুদ্রাকর £

স্থরেন্দ্রনাথ দাস।

বাণীরূপ! প্রেদ

৯এ, মনোমোহন বস্থ্‌ স্ট্রীট কলকা তা-৬

প্রচ্ছদশিল্পী £ পায়ালাল মল্লিক

সূচীপত্র

প্রসঙ্গ £ সসাজ ব্রিটিশ শাদনের ভূমিক1 ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সহযোগী ইংরাজি শিক্ষা | সাম্প্রদায়িকতার উৎস সঞ্ধানে উনিশ শতকী বুদ্ধিজীবী মানস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত তাৎপর্য সাহিত্য-এঁতিহ্ো ফাটল শরৎচন্দ্র ব্রিটিশ শাসন মধ্যশ্রেণীর সাহিত্য সিপাহী বিদ্রোহ সেকালের বাঙালী ভদ্রলোক মিপাহী বিজ্রোহ দক্ষিণারঞন মুখুজ্যে

প্রসঙ্গ : সাহিত্য

সাহিত্যে অপ্রধান লেখক বিবিধ বামপন্থী লেখকদের অস্তিস্থের সমস্য! প্রগতি সাহিত্যের দৃষ্টিভজি আন্দোলন-বিষয়ক লেখা

প্রগতি সাহিত্য : আনুষজিক কিছু চিন্তা লেখ প্রকাশের আগে হওয়া দরকার নিপুণ শিল্পী ! নতুন সাহিত্য এবং প্রাসঙ্গিকতা | সাহিত্যে সর্যহার! শ্রেণীর দৃিভঙ্গি লেখার বিষয়

লেখকের জনপ্রিয়তার সমস্যা | লেখা-না-লেখা

লেখক-চরিত্র

সাহিত্যিক সমালোচক সম্পর্ক |

সাহিত্য চিন্ত।

সাহিত্যে ন্যাশনাল ফ্রণ্ট

লেখকের প্রকাশভঙ্গি |

আজকের কথাসাহিত্য প্রসঙ্গে

বাঙল। ছোটগল্পের গতিপ্রকৃতি

প্রগতি সাহিত্যে মুখোস নৃত্য

লেখক শ্রমিক শ্রেণীর দৃষ্টিত্গি ছুঃখ-হতাশা-সংক্রাস্ত লেখা |

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি সাক্ষাৎকার |

১৫

৪৯ ৩৬ ৪৯ ৫৬ ৬১

৬৪

৬৭

৭6 ৭০. ৮১ ৮৬ টি ৯৫ ন৯ ১০৩ ১০৭ ১১০ ১১৩

১১৩৬

১২৭

১৪৫ ১৪৮ ১৫৭

“বাংলা, বিহার উড়িষ্যার বিভিন্ন জেলা আমি পরিদর্শন করিয়াছি। আমি দেখিয়াছি নীল চাষের জমির নিকটবততর্ণ অঞ্চলের অধিবাসীদের জীবন- যাত্রার মান অন্যান্য অঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের চেয়ে উন্নততর। নীল- করদের দ্বারা হয়তে। দামান্য কিছু ক্ষতি সাধিত হইয়া থাকিতে পারে কিন্তু সরকারী কিংবা বেসরকারী ধত ইউরোপীয় এখানে আছেন তাহাদের থে কোনো অংশের তুলনায় নীলকর সাহেবগণ এই দেশের সাঁধারণ মানুষের অকল্যাণের চাইতে কল্যাণই বেশি করিয়াছেন।

ভারতপথিক রামমোহন রায় আমি দেখিয়াছি শীলের চাষ এই দেশের জনসাধারণের পক্ষে সবিশেষ কলপ্রস্থ হইয়াছে; জমিদারগণের সমৃদ্ধি এশ্বর্ব বছগুণ বৃদ্ধি পাইয়াছে এবং কৃষক জনতার বৈষয়িক উন্নতি সাধিত হইয়াছে যে অঞ্চলে নীলেব চাঁষ নাই সেই অঞ্চলের তুলনায় নীলচাষের এলাকাতৃক্ত অঞ্চলের মানুষ অধিকতর স্বথস্বাচ্ছন্দ্য ভোগ করিতেছে আমি ইহা] কেবল জনশ্রুতির উপর নির্ভর করিয়! বলিতেছি না, প্রত্যক্ষদশী হিসাবে নিজের অভিজ্ঞত। হইতেই আমি ইহ! বলিতেছি।

খষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বর্তমান বজসমাজের ভিত্তি স্থাপন করিয়াছেন রামমোহন রায়। আমরা

সমস্ত বঙ্গবাী তাহার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী--তীাহার নিম্িত ভবনে বাস করিতেছি

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

[02117010610 ১০0061006706এর সন্তেই জমিদার। তালুকদার অসংখ্য

মধ্যবিভ 10100161061 সমত্ত সমাজের 2০01)0101০ অবস্থাকে বাড়তে দেয়শি-

কেবলমাত্র জমি আকড়ে থেকে রুষকেরাই যা কিছু দেশের ড/62101$ স্থষ্টি

করছে ।"-.জমি কেনা বেশি স্থদে লগ্সি কারবার করা এই হচ্ছে বাংলার বনী হবার একমাত্র পন্থা!

কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

ভূমিকা

কোনো মান্ষই সমাজে থেকে সমাজের উরে বাস করতে পারে না। তার অর্থ প্রচলিত সামাঞ্জিক ধ্যানধারণ' স্বাভাবিক নিয়মেই ব্যক্তি তথ1 পারিবারিক মানুষকে নিয়ন্ত্রিত করে

দীর্ঘকাল 'ইপনিবেশিক শোষণ সামন্ততান্ত্রিক আয়তনের মধ্যে থেকে অজ্ঞাতসারেই শ্রেণীনিবিশেষে সমস্ত স্তরেই আমাদের জীবনপ্রক্রিয়! দর্শনের জগতে সামাজিক বিস্তার কলশ্রুতি দৃশ্তমান। কৌতুছলের বিষয় বিদেশী শিক্ষায় আলোকপ্রাপ্তড আমাদের তযাঁকথিত বুদ্ধিজীবী শ্রেণী ছেঁড়া-খোডা কিছু সংস্কারের উদ্যম দেখিয়েছেন বটে, কিন্ত সাআাজ্যবাদী শোষণ সামস্ত- তান্ত্রিক ভূমিব্যস্থার অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছায় উদ্বাপীন সেজেছেন। বুছত্তর জনসাধারণ রাষ্ট্রের নির্মম অত্যাচারে বহুবার উদ্বেল হয়ে ওঠা সত্বেও সীমাবদ্ধ শক্তির কারণে অনিবার্ধভাবেই তারা গ্িমিত ছুয়ে পড়েছে কায়েমী ত্বার্থচক্র ধর্ম সমাজ সংস্কারের অজুছাতে নিয়মিত প্রচারবাছযের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে: এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, নিক্ষিয়, পরিবর্তনবিমুখ, রাঁজনীতিপরাজুখ এবং অদৃষ্টবাঁদী। স্পষ্টত এই সনাতন দার্শনিক বক্তব্যকে কাবে) ভাষ। দেন রবীন্দ্রনাথ "ওর কাজ করে"-জাতীয় পছ্যে। এবং একেই ভারতীয় জনমানসের চরিত্র বলে গ্রচার করবার চেষ্টা €য়। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে শ্রেণীবিশেষের স্ববিধ] অধিকার উত্তরাধিকার সুত্রে অপরিবর্তনীয় রাখবার স্বার্থেই ধর্ম, সমাজ, ইতিহাস, দর্শনে, এই মনোভঙ্গি গড়ে ওঠে।

একটা সরল প্রশ্নের সরল উত্তর পাওয়া অসম্ভব হবে না। প্রশ্ন এই : এদ্রেশ কী কুষিপ্রধান নয়? উত্তর: অব্ই হ্যা। তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আনুষঙ্গিক চিস্তাটাও এইভাবে আসে যে কৃষিব্যবস্থার পরিবর্তনের পক্ষে বা বিপক্ষের নিরিখেই একমাত্র প্রগতি *ভিক্রিয়ার স্বরূপ নিণাঁত হবে। ব্রিটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কৃষির সঙ্গে যুক্ত মানুমর কল্যাণের জন্যে ষে হয়নি এবং জমিদারি প্রথ যে প্রচণ্ডততম অন্যায়, এই সরল সত্য এদেশের আলোক- প্রাথ মনীষীগণ বোঝেননি মনে করলে ওদের ধীশক্কির ওপর তুল ধারণা করাহবে। আদলে এর! আইনসজত জমিদারি-নামক দন্্যতার অধিকার সম্পর্কে নিশ্চ,প। রামমোহন শোনা যায় আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংব1 স্পেনের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের নিদারুণ সমর্থক ছিলেন। অথচ ত্বদেশে চাষিদের

শোষণের পক্ষে নীলকর-অধিকৃত কৃষকদের তথাকথিত উন্নতমানের অবস্থায় গদ্গদ্‌ হয়ে উঠেছিলেন। রামমোহন ব্যক্তিগত জীবনে কী ভূমিম্বার্থকে অস্বীকার করবার চেষ্টা করেছিলেন? কিছু কিছু প্রগতিশীলের নিকট অধুনাপুজিত “মানবতাবাদী” “বিশ্বপ্রাণ' রবীন্দ্রনাথ “ছু বিঘ! জমি*'_-পছ্যে জমিদারী শোষণের নির্মম চিত্র ঝআীকলেও বিবেকের তাড়নায় তিনি কী জমিদারী ত্যাগ করেছিলেন? পর্যন্ত মার্কসবাদী জ্রীবনীকারদের রচনায় খাজন|-আদায়কারী রবীন্দ্রনাথের মহাম্থভবতার স্ববিধেবাদী পসালো গন্প শুনতে পায় যায় !

এখানে অনেকেই সাঁকাই গাইবার স্থবে বলবেন ব্যক্ষি শিল্পিসত্তার মধ্যে এই আপাতবিরোধ একটি সাধারণ নিয়ম অবশ্যই এটাকে নিয়ম বলে মেনে নিতে পারলে অনেক গুরুতর জবাবদিহির হাত থেকে বেহাই পাওয়া যাঁয়। জমিদারী চাষিদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে উলস্টম্র নিয়মবহিভূত্তি ব্যতিক্রম স্থষ্ট করবার চেষ্ট! করেছিলেন!

আমরা এবার আমাদের খভীষ্ স্থানে আসতে চাই। সেট! এই £ কী- ব্যক্ষিগত কী-সমারজ্গত কী-বাষ্ট্রগত পরিকল্পনায় এই দ্ধ সত্তাকেই আমর! নিয়ম করে ফেলেছি। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় : কথায় কাজে আত্মীয়তার বন্ধন নেই যার তাতপধ শাদা বাঙলায় প্রচ্ছন্ন ভগ্তামি। তাই এদেশে রাষ্ট্রচিস্তা সমাজচিন্ত। ধর্মচিন্তা, সাছিতা-শিল্প-শিক্ষায় চলেছে গৌজামিলন, জোড়াতালি এবং পরিমাণে অনিবার্ধত আমরা ধাবিত হচ্ছি সর্বনাশ! অতল অন্ধকার গহবরে।

ধর্মায় সংঘ ধর্মগুরুর সংখ্যা বিচাবে এদেশকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম আধ্যাত্মিক দেশ বলে ম্বীকার করতেই হয়। স্বয়ং গান্ধীজী পর্যস্ত এটা ভালো করে উপলক্ধি করেছিলেন বলেই রাজনীতিকে তিনি ধর্মের প্রচ্ছদপট পরিজ ব্যবহার করে বহুলাংশে সার্থকও- হয়েছিলেন এই শ্রেষ্ঠতম অধ্যাত্া সাধনার দেশ আমাদের ভারতবর্ষ দেখতে দেখতে কী করে নিকৃষ্টতম নরকে পরিণত হল, সেটা এতিহাদিক গবেষণার বিষয় হওয়ার যোগা। খানে, ওষুধে বেবিফুভে, ধর্মে রাষ্ট্রে, শিক্ষায়, সংস্কৃতিতে এমন শয়তানের কারখানায় কেমন করে উন্নীত হল, সেটাই চিন্ত। কর! প্রশক্োজন সামান্য উদাহরণ দিতে গেলে বলতে হয় গাদ্ধীঞ্জির মাদকত্রব্য বর্জনের সাধু সিদ্ধান্ত স্বাধীন রাষ্টে সরকার পৃষ্ঠপোধণায় কী-বিপরীত রূপ ধারণ করেছে কল্পনা করুন। আরে! কল্পন! করুন পৃথিবীর “বৃহত্তম সণতক্ত্রে, সরকাব বিরোধী মানুষকে শাসন করবার জেদে প্রচলিত আইনকানুন যথেষ্ট নয়, বিনাবিচারে বিনাপরোয়ানায় বছরের

পর বছর ধরে তাদের আটকে রাখ৷ তো! চলেই, এমনকি অজুহাত তুলে জেলের মধ্যে নিধিচারে হত্যা করা হয়। অনাবশ্যক জরুরি অবস্থ। বজায় রাখতে হয়। অথচ খাস্ে-ওযুধে-বেবিফুভে চোরাকারবারী ভেঙালকারীদের জঘন্য৬ম অপরাধেও নাকি উপযুক্ত আইন তৈরি করা যায় না!

বুদ্ধদেব-টৈতন্য-নানক-মহ্থাবীর-গান্ধীর পাশাপাশি চিন্রট! কীভাবে আপনি মেলাবেন ?

এই সমাজসংগঠনের চেহারাট1 বস্তত লাস্কির ভাষায় এই রকম “৪ 00101511790017) 91101111050 9150. 21755211907. একাদকে উত্তরাধিকার স্ত্রে অঞ্জিত সামাঙ্জিক স্থবিধে অধিকারের নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহার, অন্যদিকে এই অধিকার অক্ষুপ্ন রাখতে জনসাধারণের মধ্যে থেকে বেছে নেয় অনুগৃহীত কিছু ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী স্থ্টি, যাদের একমাত্র কাজ শোধিত জনতার রোষ থেকে মুষ্টিমেয় অধিকারভোজীদের রক্ষা কর]।

উপরিতলার এই স্থবিধাখোর শ্রেণী একটা মান যানমিক ব্যাধিতে তূগছে। তা হচ্ছে ভয়। নিজেদের স্থুধস্থবিধে হুরণের ছুশ্চিন্তা। শোষিত জনতার সচেতনতা, বিক্ষোভ, বিজ্ঞোহ, বিপ্লব এবং সর্বহারার একনায়ক তব প্রতিষ্ঠার অদূর সম্ভাবনা এবং এই সম্ভাবনাকে যতদুর সম্ভব ঠেকিয়ে রাখবার গরজে সংস্কৃতিকে সম্পূর্ণরূপে চৌকিদারের ভূমিকায় নিযুক্ত করা। এই সংস্কৃতির নাম 105৩৬ 00001761019] 59010 ০011৮ বা নয়া বাণিজ্যিক যুব সংস্কৃতি আস্ত- জাতিক বাণিজ্যের পণ্যের মতো! সারা ধর্ণবাদী রাষ্টে মড়কের আকার নিয়েছে। তার লক্ষণ শ্রাটোর্সাটে প্যান্ট, বেল্বটমৃ, সাইকেডেলিক শাট, ঝাকড়া বাবরি চুল, লঘা জুলপি, জলদন্য-স্থলফ গোঁফ বিন্যাস, অভূতপূর্ব প্রগলভ পোশাক, মাদক বড়ি ইত্যাদি? চিন্তার বিষয় : এই অর্বাচীন দৃষ্টিমার্গ রুচি দিনের পর দিন সাবালক বয়স্কজীবনেও অন্রপ্রবেশ করছে! একটি মাত্রই উদ্দেশ্য : মানুষের সংগ্রামী চেতনাকে সম্পূর্ণভাবে ধংস করা। আনন্দের বিকারকে জাগিয়ে তুলে প্রচলিত রাষ্টযস্ত্রকে টিকিয়ে-রাথ!

সঠিক রোগনির্ণয় নাহলে দামি ওষুধ প্রয়োগ ষেমন ব্যর্থ হতে বাধ্য তেমনি এদেশে মত্যিকার ধার মঙ্গল করতে চান তাদের এই জটিল সমাজ- পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল হতে হবে। আমল সমস্যাকে এড়িয়ে আর কিছু করবার চেষ্টা সময়-কাটানোর একটা শ্রেষ্ঠ উপায় ছাড়া কিছু হুবে ণা।

ব্রিটিশ শ।সনের ভূমিকা!

ররর 71005 10 08106 0900 0796 076 7990 117019 001210917%, 1017060 1) 1000, 25 100101) 10016 0191) ৪. 0801 00201097). 13210:2 01)6 009 01 006 22101092176]. ০210001চ 10 95 51521) 1006], 0% 21) 4১০0 01 000 1310151) 12111010010) 00 5200 0 51015 01 ৫] 10010) 0100 217710101101001) 10৫ 0172 56200116501 105 190001193 8170 019065 (0 0806১ 2100 00 10806 ৬4০] 0001 থা] [090016 0091 216 11001 :0017171501205 (510) 11 01) 7127005 01 010611 0990০) 25 5159]] 02 10: 076 105 20৮2110916 2170 00106101601 000 5910 (30৬61001810 €501201091)% 010 01 07011 0206.” 9190019119 91105 01015 ০া)আগ 01)০ 0০010102179 ০0070০এ 109 (1001গ১ 50 01090 016 00010193 1 1791560 105 006 [7521101 (01 076 02900 [00100019110109 0০08000 2.1010001) 70016 0110 [1] ২01০2 0 10001776 (]121) 1ড 0041101 100005. 110 2. 165010001) 700015:0 1) 1688 0100 059101091) 1901106 00০ 01791 41:65010016% 121৩0 [9 (72101010 ০3001011101 [০1 8০০01001005 009) 1006010 টা 02016.৮ 70110 11001010 01095 20010130] 3100425.

এটি বিন্ময়ের কথা হলেও স্বীকার করতে হবে যে, ইংরাজ আমলে এবং হংরাজের শাসকের ভূমিকা থেক্কে বিদায় নেবার পরও, আজ পযস্ত, এদেশে এমন মান্গুষের অভাব নেই ধার বুটিশ শাসনের সোনালী দিনগুলির জন্যে দীর্ঘনিশ্বাস ফেলেন! বিদেশী প্রতৃর এই অপূর্ব মাহাত্ব্য ঘখন ইস্ট ইত্ডিয়। কোম্পানির সওদাগরি রূপে এদেশের মাটিতে প্রথম প্রকটিত হল সেই দিন থেকে তার অন্ধ ভক্তজনকে রথের তলায় গড়াগড়ি দ্রিতে দেখা গেল। ভারতপথিক রামমোহনই মূলত কোম্পানির হোমরা চোমরা সাহেব স্থবোদের 'ব্যক্িগত" রোজগার কিংবা বিলাসব্যসনের প্রয়োজনে চড়া স্থদে টাকা ধার দিয়ে কুমীদজীবীর ভূমিকা গ্রহণ করলেন। এবং কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে এই আঘিক সহবাসের ফলে রামমোহন ১৮১৪-১৬ লাল থেকে বিরাট

লী

বিরাট বাড়ি কিনে কলকাতায় স্থায়ী হয়ে বসে তৎকালীন বাঙালী ভদরলোকদের' মধ্যমণি হয়ে উঠলেন। ইংরাজদের অন্গকরণে রামমোহনও সভা সমিতি গড়ে তুললেন। বড় বড় মজলিসে সাছেব স্থুবোদের খানাপিণা, ণনিকি? বাইজির নাচে তিনি দেদার টাকা খরচ করতে লাগলেন। অন্যদিকে চলল ধর্ম সংস্কার, সমাজ-সংস্কারের কার্যাবলী অবশ্য মনে রাখতে হবে এই সকল সংস্কারমূগক কার্ধাবলীতে মরকারের অনুমোদন ছিল। ঘেহেতু এই সকল “দাধু” কাজে ইংরাজের ঈপনিবেশিক শোষণের স্বার্থে আঘাত পড়েন।

ধনেটিভদের' মধ্যে তৎকালীন ভারতবর্ষে রামমোহনের মতো ধনী ব্যক্তির সহযোগিতা ইংরাজদের পক্ষে যথেষ্ট সহায়ক হুল। কারণ নামমোহুন ভবিষ্যতের জন্যে ভারতের ধে-পথ উনুক্ত করে দিলেন সেই পথের চিহ্ন ধরে আগামী কালের শাসকশ্রেণীর মজবুত “ইতিহাস তৈরি হল, ধার সঙ্গে ত্বভাবতই বৃহত্তর জনসাধারণেব আশা-আকাজ্কার বিন্দুমান্র সম্পর্ক নেই।

বল! বাছল্য, বামমোহন এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত-পুষ্ট নব্য জমিদার শ্রেণী” মধ্যন্বত্বভোগী এবং তারি আশ্রয়ে লালিত “মধ্য শ্রেণী” গড়ে উঠল, ধারণ দীর্ঘকাল, এবং আজ্ছে। পর্যন্ত শ্রেণী ধর্ম-বর্ণ নিহিশেষে তাবৎ ভাঁরতবর্ষেব মানুষের স্বনির্বাচিত মুখপাত্র! এই “মধ্য শ্রেণীই' ইংরাজ আমল থেকে আহ পর্যন্ত তাদেরি স্বার্থে তৈরি ইতিহাসের শবাধারটিকে ভারতবর্ষের বৃহত্তর মানুষের কাধে চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত আছেন।

গ্রামে গাথা কৃষি কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মূলত কৃষক মানুষ রাষ্্নৈতিন পরিবর্তনের বাইবে কেবল যুগে যুগে শোষণের জোয়ালটাকে এক কাধ থেকে আরেক কাদে ফেলেছে, ছুভিক্ষ মহামারী মৃত্যুর শিকার হয়েছে, বি্ছোহ করেছে, মার খেয়েছে ব্যাপারে ইংবাঙ্জি-শিক্ষিত নব্য মধ্য শ্রেণী শাসক শক্তির স্বার্থ মিলেমিশে তাদের চোখে এক হয়ে গেছে মধ্য শ্রেণীর নেতৃত্ব ইংরাঁজের কাছ থেকে আরো অধিক শ্রেণীগত স্থযোগ স্থবিপে দাবি করেছে, অথচ ঘুণাক্ষরে বিংশ শতকের ঝিশ দশকের আগে পর্যস্ত এদের রাজনৈতিক পার্টি ঘৃণ্য জমিদার ব্যবস্থা উচ্ছেদের সামান্য প্রস্তাবও নিতে সক্ষম হয়নি।

বৃহত্তর মানুষের হাতে মধ্য শ্রেণীর এই “ইতিহাসের পতাকাট! ধরিয়ে দিয়ে এই পরণিতেই আমাদের মধ্য শ্রেণী অধ্যষিত এঁতিহাসিকগণ আজে!

১৩

পর্যন্ত ইতিহাসচর্চা করে চলেছেন। ফলে সত্যিকার জনগণাশ্রিত ইতিহাস আজে! লেখা হল না। অবশ্ত এর জন্য আমর! দুঃখ করিনা, কারণ শ্রেণী বিভক্ত সমাজে ইতিহাস সর্বদাই শাসকশ্রেণীর ইতিহাস!

এই দৃষ্টিভজি থেকেই উনিশ শতকের ক্রমাগত কৃষক অভ্যুতান, সিপাহী যুদ্ধের মতে। জনগণের “ব্যাপক জাগরণ", কোনে! কিছুই মধ্য শ্রেণীর কাছে আমল পায়নি। যেহেতু এই আন্দোলনগুলো সামস্ততন্্র সাত্রাজ্যবাদকে একযঘোগে আঘাত হানে এর চেয়ে বরং ধর্ম সামাজিক নেতা সেজে সংস্কার পন্থী ঝোকগুলোকে কাজে লাগানো নিরাপদ পাশ্চাত্য শিক্ষাকে ইংরিজি-মাধ্যম সহ চালিয়ে দেয়াই ভালো

কৌতুকেব বিষয়, এই ইংরাজ-সহষোগী নেতৃবর্গ ঘখন ধর্ম-সমাজ-শিক্ষায় রেনেশাসেব খোয়ান দেখছেন খন্য দিকে কুষক বিক্ষোভ চলাকালীন রাম- মোহন সেখানেই তালুক কিনছেন, ইংরাজ সিভিলিয়ানদের স্থদে টাকা দিচ্ছেন, বারা রামকান্ত রায় জ্োষ্ঠভ্রাতা জগমোহন বাকি খাজনার দায়ে জেলে বন্দী থাকলেও বিত্তবাণ পুত্রটাক1 দিযে তাদের মুক্ত করছেন না। রামকান্তেব যৃত্্যু ছল। পামমোহুন নান। কারণে পিতার মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত থাকতে পারলেন না বন্দী জগমোহুনেব কাতর প্রার্থনায় সুদ সমেত ফেরত পাবার কডাবে রামমোহন তাকে এক হাজার টাকা কর্জ দেন। ক্ষগখোহন মেিনীপুব ভ্েল থেক্ষে মুক্তি পান।

বিষয় আশয়ের প্রতি এই আপাক্ত রামমোহুনের ধর্মচচায় ষে কোনে: ব্যাঘাত সৃষ্টি করেনি তাব কারণ সম্ভবত থামমোহন ধামিক' ছিলেন না, ধর্মান্দোলনকে তিনি সমাজ সংস্কারের অন্যতম বাহন মনে করতেন।

যেমন করতেন তারি মন্ত্রশিষ্য মহর্ষি দেবেজ্্রনাথ ঠাকুর। তার বিষয় বুদ্ধি ভ্রাতৃবধূ ত্রিপুরাস্ন্দরী দেবীক্ষে সম্পত্তি থেস্ষে বুষ্চিত করতে উৎসাহিত করে। তারি পাবনার জমিদারি থেকে বে-আইনি করের অত্যাচারে যখন কৃষকের! বিজ্রোহ করেন তখন দেবেন্দ্রনাথের ব্রিটিশ ইঙ্িয়ান আসোশিয়েশন জমিদারি ্বার্থ রক্ষার অজুহাতে কৃষক বিক্ষোভকে “মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা" বলে 'অপব্যাখ্যার আশ্রয় নেন।

দৃষ্টান্ত না বাড়িয়েও ত্বীকার কর] ভালো এই হচ্ছে নব্য মধ্য শ্রেণীর চরিকআ্র। যার সঙ্গে বৃহত্তর দেশের মানুষের স্বার্থের কোনো ঘোগ নেই। এই শ্রেণীই প্রথমাবধি এদেশে ইংরাজ শাসনের মন্ত সমর্থক এবং স্বীকার করে

১১

নেয়াই ভালো উনিশশতকে বিশেষ করে বাঙালী মধ্যশ্রেণীই এই কৃতিত্বের অংশীদার গান্ধীজি রাজনীতিতে প্রবেশ করবার আগে এই বাঙালী ভদ্দর লোকেদের রাজনীতিই সর্বভারতীয় "মধ্য শ্রেণীর, রাজনীতির আকার ধারণ করেছিল

ইংরাজ প্রভৃত্ব আর এদেশে নেই, কাজেই নিরাবেগ ভাবে তাদের শাসন- কালের একট! জমাথরচ নেয়া যেতে পারে। বুটিশ সমর্পকদের যুক্তিগুলি এই জাতীয় £

ক) এরাই প্রথম ভারতব্যাপী স্বষ্ আইন- গৃ্খল। স্থাপন করলেন

খ) রাজস্ব আদায়ের একটি আইনমাফিক ব্যবস্থা করা হুল

%গ) দেশরক্ষার ভার ন্লেন তার]

প্রশ্ন হচ্ছেঃ কার স্বার্থে? এর দ্বারা দেশের ব্যাপক জনসাধারণের জীবনযাত্রার কোনে মানোন্নয়ন হয়েছিল কি?

ভারতবর্ষের মানুষের পিঠে করের বোঝা চাপিয়ে ঘে রাজন্ব আদায় করা হয়েছে তার ভাগ ব্রিটিশ ভারতীয় পিপাহীদের হাতি পোষার খরচে গেছে, & ভাগ গেছে মিভিল সারভেপ্টদের উদরে, যাদের বেশির ভাগ ছিল ব্রিটিশ-পুজব। ১৪ শিক্ষাধাতে, ₹৮ স্বাস্থ্য রক্ষায়। ₹ট কৃষিকাজে এবং অন্যান্য গৌণ বিষয়ে

ব্রিটিশ-শক্তির ভারতবর্ষে কোন্‌ হ্বার্থ রক্ষার কাঞঙ্জ চলেছিল? ব্)বসা- বাণজ্যের ব্বার্থেই অন্তান্য বেনেদের মতো এদেশে ইংরাজদের পদার্পণ কিন্তু ইস্ট ইত্ডিয়া কোম্পানি জিনিস কেনা বেচ1 ছাড়াও তাদের রোজগার বাড়াতে পেরেছিল ভারতীয় রাজন্তদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে এবং জনসাধারণের কাছ থেকে করের মারফত। কোম্পাণির সমুদয় রোজগার সরকারকে অর্পণ কর] হয়।

পরবতর্খ কালে এল ইংরাজ পুঁজির লগ্লি এবং ইংরাঁজ শাসকবর্গকে মাইনে দেবার ব্যবস্থ।

ফঙগত, ভারতবর্ষে ব্রিটিশ তিন ধরনের স্বার্থরক্ষ। করার ঢালাও স্থখোগ পেল।

১. পুঁজি লগ্রি করবার ক্ষেত্র

২, ইংল্যাণ্ডে (তরি জিনিসের বাজার

৩. শাপণকবর্গকে মাইনে দেবার জন্য রোজগারের পথ

১৯২৭-২৮ সালে ইংল্যাণ্ডে তৈরি জিনিসের আমদানি এবং ভারতবর্ষের জিনিসের রপ্তানির গড় হচ্ছে যথাক্রমে ৯*১*০০১০০০ পাঁউণ্ড এবং ৬৩৬১০০০১০০০ পাঁউগ্ড।

ব্রিটিশ প্রব্যের এদেশের বাজার দখল করার হিসেব অবশ্ঠই প্রভূদের অনুকূলেই যায়।

দ্বিতীয়ত, শাসকবর্গের খরচ জোগাতে ভারতবর্ষের রাজস্বের $ অংশ শুষে নেয়া হয়। তার পবিমাণ মোটামুটি বান্ধিক ৩২,৮০০,০০ পাউগ্ড।

বেতনের চেহারাটা একবার লক্ষ্য কর] যাক £

ভাইসরয় এবং গন্ভর্নর জেনারেল: :-:- 22০ ১৯,০০০ পাউগ্ড সেনাবাহিনীর প্রধান... ১৩০৮ত০০০৩, ৭,৪০০ , গভর্নর জেনারেল কাউন্সিলের সভ্য --..-.***১* ৬,০০০ » দশটি প্রাদেশিক গভর্নর. হত ৪,৯০০ থেকে

৯,০০০ প্রধান বিচারপতি (কলিকাতা *..*--***** ৫১৩০০

এই শাসকবর্গের খরচ জোগাতে বেতন হিসেবেই ভারতবর্ষ থেকে গেছে, ৰছরে ১,২২০১০০০ পাউগও্ড |

এছাড়াও রয়েছে লগ্ুনের ইপ্ডিয়া অফিসের জন্যে খরচ ৩৬৫,৮০০ পাউওড, তার মধ্যে ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট দিত ১৩৬,০০০ পাঁউও, বাকিট। ভারতবর্ষ থেকে যেত।

সেনাবাহিনীর মোট খরচ বছরে ৪৩,৭৬১১০০০ পাউও্ড। ল্মরণ রাখ! উচিত যে সেনাবাহিনীর অংশ ব্রিটিশ। ব্রিটিশ সৈন্ত ভারতীয় সৈন্যের অপেক্ষা চারগুণ বেশি পেত। ব্রিটিশ" সেন! অফিসার ভারতীয় অফিসার থেকে ছয়গুণ বেশি

কেউ কেউ মনে করতে পারেন কোম্পানির হাত থেকে সরাসরি ভারত শাসনের ভার ব্রিটিশ পালণামেন্টের ওপর এলে অবস্থার উন্নতি হয়েছে!

কিন্তু লর্ড ওয়েলেমলি, লর্ড অকল্যাণ্ড, লর্ড এলেনবরো, লর্ড ভালহৌসির আমলে শাসনযস্ত্রের ঘে চেহার! প্রত্যক্ষ কর! গেছে তা কোম্পানির শাসনের থেকেও জঘন্য

কোম্পানির ইচ্ছার বিরুদ্ধে সরকার শুরু করল আফগ্ন যুদ্ধ। পরিণামে আফগানদের আক্রমণে, ঠাণ্ডায়, ক্ষুধায় ১৬,০০০ সৈন্য ধংস ছল। মিজ্্

১৩

রাজ্য সিন্ধু জয়ও ষড়যন্ত্রমূলক পাঞ্াব অধিকারও এই জাতীয় ঘটন৷ বার্ম। অধিকার কর] হুল ঘেহেতু ইংরাজ বপিকদের ওপর ঝর ধাষধ করা 'হয়েছিল।

সবচেয়ে নিম্দাহ কাজ উত্তরাধিকারের অভাবে রাজন্বর্গের দত্তক নেবার অধিকারকে কেড়ে নিয়ে সেসব রাজ্য দখল কর! সাতারা, ঝাসি, নাগপুর এবং আরে! ছোট খাটো রাজ্য এইভাবেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসে আছতি দিল।

নানাভাবে আদায়ীকৃত ভারতের এই রাজস্ব ব্রটিশ কোথায় কোথায় নিযুক্ত করল? তার পরিচয় আগেই দেয়া হয়েছে মজার ব্যাপার ভারতবর্ষের বাইরে ব্রিটিশের যুদ্ধ অভিযানের খরচও এই হতভাগ্য দেশকে বহন করতে হয়েছে যেমন ইজিপ্ট-আবিসিনিয়া, আফগানিস্তান বার্যার যুদ্ধ। এই- ভাবে ভারতের রাজস্বের & অংশ সেনাবাহিনীর পেছনে ব্যয় ছয়েছে।

হাপান ইমাম ১৯১৮-তে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির ভাষণে ষে তীব্র মন্তব্য করেন ইতিহাসের প্রয়োজনে তার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রবন্ধের উপসংহার টানছি।

[106 ৪0০91981515 01 9110151) 1২016 11) [10319 10856 ৪:85] 120 01056 006 015561000০6 06 0106 13110151) 10 01015 18100 1825 70661 006 (0 19010091072 02000156257 01086 01168110151) 01০6 10825 70621) 00 5৪ ৮০ 006 (00181) 709090165 £10100 (136177521৬5; 009 1815 [10611 10018] 908,090 01116 01610) 008,061191] [710517061105) ০0 0010167 010 10610 0106 ০01৮1151108 11000610025 04 1721010106১ 81)0 50 00111) 8100 50 018. 116 1800 15 01520 0106 2850 [11019 00900198105 85 1906 ০017/061৬৩এ £91 006 ০9211680601 11019, ০০৫০ 00 08106 2/8% 1061 ০৪101) 607 0106 91660 01 13110911),10106 81650 01 68101) 01380 01081900615 103 401085 85 20009100091)160 05 8:6০ 602 05011091181 09596551017) ৪170 1961) 01)6 0:80)518761)06 01 17015 1000 01) 60910008509 006 ০০ আছ 09০9 101806) 1106 £76০€এ ৬৮০৪1) 21) 01) 1050 01 ০০০০1: ৪102.060 1) ০00 0176 1011 17) 0106 81106110015, 0106 0015 4166 21702 02106 00৪6 05 791)10 06081006

৪০ 5051078,01560 ৪170 0181)021 50121)010.”

১৪

ব্রিটিশ সাশ্রাজ্যবাদের সহযোগী ইংরাজি শিক্ষা

শ্রেণী বিভক্ত সমাজে রাষ্ট্র এক শ্রেণী দ্বার আরেক শ্রেণীকে দাবিয়ে-রাখার ঘন্তর বশেষ। শাসকশ্রেণী শুধুমাত্র শাসন পদ্ধতি তৈরি করে নিশ্চিন্ত থাকে না। এ-শামকগোঠী যদি বিদেশী সাম্রাজ্যবাদ হয় তাহলে তার রাজত্বকে দ্চমূল করতে উপনিবেশেও স্থানীয় লোকেদের মধ্যে তাকে সমর্থক সহযোগী খুঁজতে হয়। যার! আদি থেকেই সাম্রাজাবাদ প্রসাদপুষ্ট স্থবিধেভোগী হয়ে কৃতজ্ঞত। স্বরূপ সাম্রাজ্যবাদের চিত্তগুণের পঞ্চমুখ প্রশংসা জুড়ে দেবে।

এই সহযোগী শ্রেণী ঘত পুষ্ট হবে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদের মস্ত সহায়ক হবে। কালক্রমে স্থানীয় সহযোগীদের মূল্যবান সৌহার্দ্যেই সাম্রাজ্যবাদকে নিজের দেশ থেকে লোক এনে শাসন চালনার বাড়তি ধকল মইতে হবে না।

এই উদ্দেশ্তে ইস্ট ইত্ডিয়া কোম্পানির সেবেম্তাদার ব৷ মুনশীকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রচলন করবার কালে তার সঙ্গেই জমিদারি সে গাটছড়। বাঁধ] হুল। জমি রাজন্বের আয়ই এদেশে ব্রিটিশের প্রথম পুঁজি, ওঁপনিবেশিক লুন। এই লঠনের চিরস্থায়ী ঠিকে নিল জমিদার শ্রেণী। সাম্রাজ্যবাদ রক্ষার একটি জবরদস্ত ঘাটি হুল জমিদার, যার! জমিদারি শেকলের সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদের শেকলকে আই্টেপৃষ্ঠে বেধে নিল। ছুটি স্বার্থ একই স্থত্রে জড়িত হওয়ায় বিচ্ছিন্নভাবে কোনোটিরও বিচার কর! সম্ভব নয়।

ব্রিটিশের দ্বিতীয় কাজ হুল, সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের পাহারাদার হিসেবে এদেশে একটি শক্তিশালী আমলাত্ত্র তৈরি করা, যার! কোরিয়ার তৈরির যৃপ- কাষ্ঠে বলিপ্র্দতত এবং দেশের মৃত্তিকার সে সম্পর্কবিহীন, জনবিরোধী, অন্ধ, নিষ্টুর যন্ত্র বিশেষ।

তৃতীয় কাজ হুল, শাসক গোঠীর ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সম্ভব হলে ধর্মে, কাল। চামড়ার 'ইংরাঞজ তৈরি করা যার] জমিদার নয়, তথাকথিত “মধ্য শ্রেণী?

কাজেই এট1 একটা পরম সত্য যে, ধর্ম, ভাষা, শিক্ষা, আচার আচরণ, সংস্কৃতির "শ্বাধীন' কোনো অস্তিত্ব নেই। তা শাসবশ্রেণীর স্বার্থ বক্ষারই বিভিন্ন দপ্তর

১৫

সাম্রাজ্যবাদকে মজবুত করবার অভিগ্রায়ে এসব কাজে হাত দিতে ব্রিটিশের বিশেষ বেগ পেতে হয়নি। সেরেস্তাদার-মুনশী জমিদার চক্রের প্রতৃভক্তি জন্মকাল থেকেই, বিশেষ করে বাঙালী স্থবিধেভোগী শ্রেণীর মধ্যে, অপূর্ব সাত্রাজ্যবাদ গ্রীতিতে পর্যবসিত হয়েছে বস্তুত কোনো গুপনিবেশিক গোলামই এমন করে বিদেশী প্রভৃকে এই ধরনের ভালোবাসেনি।

সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থে যখন এদেশে ইংরাণ্জ ভাষার মাধ্যমে ইংরাজি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবার প্রয়োজন দেখা দিল তখণ রামমোহন রায় বিদেশী শিক্ষার প্রচণ্ড উৎসাহী হয়ে এগিয়ে এলেন উল্লেখধোগ্য, এই রামমোহনই মুসলমান আমলে তৎকালীন সরকারি ভাষ। ফাসাঁ শিখেছিলেন।

শাসকগোঠীর বদলের সঙ্গে সঙ্গে তিনিও ইংরাজি ভাষার কার্ধকারিতা সম্পর্কে বিশ্বাসী হয়ে উঠলেন।

মেকলে সেদিন যে আশা পোষণ করেছিলেন ভারতীয়ের মধ্যে কালা- চামড়ার সাহেব তরি করবার, ধারা আচারে-আচরণে ইংরিজিয়ানায় বুদ হয়ে ক্রমে নীচু তলার মানুষকে প্রভাবিত করতে পারবেন। এটাই মেকলের 10911020102 09015. কাজেই ইংরাক্জি শিক্ষার প্রয়াস সীমাবদ্ধ রইল উচ্চশিক্ষার মধ্যে, পল্লী অঞ্চল থেকে দুরে কতিপয় শহুরে মধ্য শ্রেণীর চৌহুদ্দিতে প্রাথমিক শিক্ষার দিকে ব্রিটিশের তেমন উৎসাহ দেখা গে না। কারণ 'ছোটলোকদের' মধ্যে শিক্ষার আলো! পৌছে দেবার ব্যাপারে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ঝুঁকি অনেক এদাত্িত্ব স্থ্ুভাবে পালন করবে শহুরে ইংরাজি শিক্ষিত মধ্যশ্রেণী, তাদেরি শ্রেণীম্বার্থকে নিরাপদ করবার প্রয়োজনে

ইংরাজি শিক্ষার পাথরট। ইংলগ্ডের ছাচে স্ব আমাদের সমাজদেছে বসিয়ে দেয়া হল! বিশ্ববিছণালয়-কলেজ-ইন্কুলের মজবুত অটালিক। গড়ে উঠল আনুষঙ্গিক দামি সরগ্জাম পৌছে গেল শিক্ষার মাধ্যম বিদেশীভাষ নিদিই হল, পাঠ্যস্থচী, পঠন পাঠনের কৌশল ইত্যাদির সমাবেশে এক রাজন্য় যজ্ঞ শুরু হয়ে গেল

এদেশে ইংরাজি শিক্ষা! ব্যবস্থার গুণগানে ধারা পঞ্চমুখ তাঁদের কাছে সবিনয়ে একটি প্রশ্থই রাখতে চাই, এই শিক্ষার কী ফলশ্রুতি আমাদেয় ওপর বর্তেছে? একটা কাজের ভালোমম্দ বিচার হবে তার ফলের ওপর। আমাদের তে! মনে হয় সাম্রাজ্যবাদ ঘে-উদ্দেশে এদেশে ইংরাজি চাপিয়ে

১৬

দিয়েছিল তার সে-উদ্দেন্ত সম্পূর্ণ সফল হয়েছে। অর্থাৎ বৃহত্তর দেশের মানুষের সম্পকক রহিত শহুরে শিক্ষিত () মধ্যশ্রেণীর আবির্ভাব, যাদের ছাতে নিশ্চিন্তে একদ| ক্ষমতা হস্তাত্তর করা যাবে ইংরাজি শিক্ষা সার্থক ভাবে আমাদের নিজ্ত্ব অবস্থান, পরিবেশ, প্রয়োজনকে ভৃলিয়ে দিয়ে ধার-করা ব্রিটিশ দৃষ্টিভঙ্গিকে আলগাভাবে চাপিয়ে দিল। আমাদের দেশজ যা কিছু মূল্যবান উত্তবাধিকার ছিল সবকিছু নস্যাৎ করতে শিখে আমরা সাম্রাজ্যবাদী এঁতিহাকেই বড় করে দেখলাম এবং একজন নিষ্ঠাবান "ভারতীয় প্রক্তা, হিসাবে দেশের সমস্যাকে বুঝতে সমাধান করতে প্রয়াসী হলাম আমরা এনকল ধারণা পোষণ করলাম যে, ইংরাজ আমাদের 'জাতীয়ত।- বোধ” “দেশপ্রেম? ইত্যাদি সম্পর্কে প্রথম শিক্ষিত করল। এবং এই ধারণায় বুদ হয়ে দেশের আসল চেহারা--বিভিন্ধ জাতি-উপজাতি, বর্ণ, সম্প্রদায়, শ্রেণীর বিভিন্ন ধৈশিশ্ট্যকে ধামাচাপা দিয়ে সগ্যোজাগ্রত মধ্যশ্রেণীর শাঁসক- শ্রেণীতে উন্নীত হবার স্বপ্ন দেখতে শিখলাম

আমাদের “জাতীয়তাবোধের' একটি চমৎকুত দৃষ্টান্ত এই £ সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থে ১৮৫৭-এর মূলত কৃষক-সংগ্রিষ্ট প্রথম স্বাধীনতার যুদ্ধকে 'দিপাহী বিদ্রোহ” বলে কলংকিত করলামই শুধু নয়, বাঙালী বুদ্ধিজীবী তার তাৎপযকে অন্বীকার করে প্রত্যক্ষ বিরুদ্ধাচরুণ করল “ভারতবর্ষের ইতিহাসে: আমাদের ছাজেরা আজো পর্যন্ত ঘটনাটিকে পিপাহী বিজ্রোহ বলে মুখস্থ করছে। এই ইতিহাসই সিরাজদৌল্লাকে নৃশংস সাজিয়েছে, প্রতাপ রায়কে নির্মম বানিয়েছে, চিরস্থাজ়ী বন্দোবস্তকে কল্যাণকর এ'কেছে, ক্যানিংকে 'দয়ালু বলতে শিখিয়েছে, ইত্যাদ ইত্যাদি। কৌতুকের বিষয় আমরা সকলকে সত্য মেনে পরীক্ষায় পাশ করেছি।

গান্ধ'জীর অসহযোগ আন্দোলনে প্রথম ইংরাজি শিক্ষার সাআজ্যবাদী বদমায়েশির মুখোশ উদ্ঘাটন করবার চেষ্ট| হল। নেতৃত্ব দেশের প্রয়োজনে জাতীয় শিক্ষা প্রবর্তন করবার কথাও চিন্তা ক্রলেন। এই জাতীয় শিক্ষার কল্পনা মধ্যশ্রেণীর রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা দোষে-ছুষ্ট হলেও এই উদ্ঘাটনেরও একটা মূল্য আছে।

কথাটা! পরিষ্কার করে বোঝবার গুরুত্ব রয়েছে বে, ইংরাজি শিক্ষা প্রভাব দীর্ঘকাল আমাদের সাম্রাজ্যবাদ অন্থরাগী করে রেখেছে আমাদের স্বাধীনতাবোধের উন্মেষ ঘটিয়েছে ফরাসি বিপ্রব, আমেরিকান বিপ্রব, আইরিশ

১৭

বিপ্রব, রাশিয়ান বিপ্রব--ইংরাজ সাম্রাজ্যবাদের কাছ থেকে এ-দীক্ষা আমর! কোনোকালেই গ্রহণ করিনি

অখচ বারবার আমর! ত্রিটিশের কাছে আবেদনের থলি নিয়ে এগিয়েছি, তাদের চিত্তের ওদার্যের নিকট আবেদন জানিয়েছি যে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্ব ওপনিবেশিকদের ক্ষেত্রে প্রধান:

স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ পযন্ত ইংরাজের সহনশীলতা গুণের যখন নিল! গ্রশংস! করতে উদ্ভত হন তখন আফ্রিক। প্রভৃতি উপশিংবশে ব্রিটিশের উলজ বর্বরতার কথা তুলে যান। ভারতবর্ষে তুলনায় সাম্রাজ্াবাদী বর্বরতা যদি কমহয়ে থাকে তা তার ওদার্য নয়, তার কারণ [চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আদরে পুষ্ট প্রথম থেকেই সাম্রাজ্যবাদ অন্থরাগী শ্রেণীর সৃষ্টি, সাম্রাজ্যবাদের হ্বমৃত্তিতে উগ্র হবার প্রয়োজন অনুভূত হয়নি। জাগ্রত মধ্য শ্রেণীর এই 09551৬1-ই সাআ্রাজ্যবাদকে দীর্ঘকাল এদেশে নিরাপদ করেছে 'পিপাহী বিদ্রোহকে' দমন করবার জন্টে ইংরাজ সেকালে যে লক্ষ লক্ষ যানুষূকে হত্যা করেছে সেই স্মতিকে তূলতে গিয়ে আমরা ক্যানিংকে “দয়ালু” বানিয়েছি বুঝিনি ক্যানিংয়ের এই "দয়া” সামত্রাজাবাদী নীতিরই অন্য কৌশল মান্্র।

ইংরাজি শিক্ষ! প্রসঙ্গে ঘে যুরোপীয় জ্ঞানবিজ্ঞান সভ্যতার কথা ওঠে সেটা বিশেষ করে সমগ্র যুরোপে€ই দান, ওজ্জগ্ত একক গৌরব ইংরাজের প্রাপ্য নয়। ইংরাজ ছাড়া করামি কি জমান, যে কেউ হলেও বিষয়ট। একই ছুত। ইংরাজের জানালা দিয়ে আমরা বিশ্বদৃ্ী লাভ করেছি, সাম্রাজ্যবাদী শক্ষির উপর এতাদৃশ অচল! ভক্তিও আমাদের মেরুদগুহীনতার প্রমাণ ইংরাঁজ- রাজত্ব এদেশে পঞ্চবান্বিক দু্ভিক্ষেরই অন্তনাম, কখনোই প্রগতিশীল ভূমিক। বহন করে আসেনি ইতিহাসের অচেতন হাতিয়ার মাত্র শিল্পবিপ্রবের স্থত্রপাত ইং৯ণ্ডে হতে পারে, প্রধানত ভাএতবর্ধহই তার প্রপণামী জুগিয়েছে এও তেমণি সত্য কাজেই শ্ল্পিবিপ্রবের ফলশ্রতি এদেশে কোনো অর্থ- নৈতিক বিপ্রবেরই তাগিদ দেয়নি বা উদীয়মান বুর্জোয়! শ্রেণীরর স্যষ্থি করেনি বস্তুত ব্রিটিশের সহবাসে উনিশ শতকে যে-রেনেশাসের প্রচার আমর করি তা সাম্রাজ্যবাদ সহুধোগী শন্রে মধ্য শ্রেণীরই নকল রেনেশাস যা যুরোপীয় রেনেশাসের মতো কোনো গুণগত পরিবর্তনও স্চিত করেনা। তা বাস্তবে সাম্রাজ্যবাদ পৃষ্ঠপোষণাপু্ই ধর্ম বা সমাজ-সংস্কারের কারকলাপ, ন্র্থনৈতিক চিন্তার কোনো। আলো সেখানে বিকীর্ণ হয়নি। কারণ ততদিনে

১৮

এই প্রধান রেনেশীসওয়ালার শাসনে শোষণে ইংরাজের জুনিয়ার পার্টনার হয়ে গেছে।

দৃষ্টান্ত লিয়ে কেউ কেউ বলবেন, ইংরাজি সাহিত্যের মধ্যে আমর! বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যের আস্বাদ পেয়েছি এটা বিশ্বাসের কথা, সত্যের কথ নয়৷ ইংরাজি সাহিত্যের মতে বিশ্বে জার্মান সাহিত্য আছে, ফরাসি সাহিত্যও আছে, (গ্রীক সাহিত্য কোনো দেশের টাতৃক সম্পত্তি নয়, আশ! করি) এবং কোনোটিই কাকুর তুলনায় উৎকৃষ্ট বানিকষ্ট নয়! সাহিত্যে এলিজাবেথ বা ভিক্টোরিয়া যুগকে আমরা পণীক্ষা পাশের জন্যে পড়েছি, ইন্কুলে বা কলেজের পাঠ্যপুত্তকে আমাদের সাহিত্যবোধ কখনোই জাগেনি। শেকসপীয়র-মিলটন-বায়রন সম্পর্কে আমাদের বিদ্যা জ্যাকাডেমিক মাত্র তৎকালীন সমাজে এইলব লেখক নম্পর্কে বস্তগত বিচারের শিক্ষা আমরা স্কুল-কলেজে পাইনি, তা ব্বামাদের ব্যক্তিগত সমাজদৃষ্টি অধ]য়নেরই ফল। আমাদের সাহিত্যিকেরা অদ্ধেব মতো ইংরাজি সাহিত্যকে মকশে! করেছেন এবং আজো পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথকে সাক্ষ্য মানলে, ভিক্টোরিয়ার যুগকে ছাড়িয়ে ফেতে পান্নেনণি। সাহিত্যবোধের নামে আমরা সাম্রাজ্যবাদী শিক্ষাব্যবস্থার চশমাকেই নাকে চাপিয়েছি। ফলত আমাদের সাহিত্য মূলত কলোনিয়াল সাহিত্য ছাড়া কিছু নয়। শেলী ব৷ বায়রনের সৌন্দ্যবোধ প্রেমাবেগ আমাদের এমনভাবে মুগ্ধ বরেছে যে, সাআজ্যবাদী স্বার্থেই তীঙ্গের র্যাডিকাল চিন্তা শ্বাধীনত। স্পৃহাকে আবরণ দেয়৷ হয়েছে সনাতনী ওআর্ডন্বার্থকে নিয়ে বাড়াৰাড়ি কর! হয়েছে।

হ্যা, ইংরাজ আমাদের বিশ্বসাহিত্যে জানাল খুলে দিয়েছে, কিন্তু সে-সাহিত্য সেনসর্ড, কণ্ট্রোল্ভ, ফেন সআাজ্যবাদী নোংরা দীতটা প্রকাশ না হয়ে পড়ে অর্থাৎ ইংরাজ্জ পরম অনুগ্রহে যা পাঠিয়েছে তাই আমর চবিত- চর্বণ করে কৃতজ্ঞতার ঢেকুর তুলেছ।

মার, যুয়োগীয় বিজ্ঞানের দানের কথা? আজে পযস্ত আমাদের দেশে বিদেশী যন্ত্রপাতি এসেশখ্বল করে” মেড ইন ই্ডিয়ার ছাপ মারতে হয়। বেসিক কেমিকেলস-এর জন্কে বিদেশের মুখ চেয়ে থাকতে হয়।

আমাদের বিজ্ঞানীদের স্বাধীন গবেষণার ক্ষেত্রে পদে পদে ইংরাঁজ প্রত আমাদের বাধাই দিয়েছে জগদীশ বন্ধ ব! প্রফুল্লচন্দ্রের প্রতিভার কী- "অপব্যবহার হয়েছে বিচার করলেই ধরা পড়ৰে।

১৪

আজ ইংরাজের অনুগ্রহে আমাদের রাঙ্জনীতি চেতন ঘষে কী-পরিমাণ অন্ধ তভমা, আঙ্গো পর্যন্ত দেশের হাল ঘা হয়েছে সেটাই চরম দৃষ্টান্ত অবস্থা, স্বীকার করতেই হবে এই রাজনীতি চেতনা ইংরাজী শিক্ষিত মধ্যশ্রেণীর রাজনীতি ঘা তাকে সাম্রাজ্যবাদের সহষোগী চরিন্রে উন্নীত করে ভবিষ্যতের শাসকশ্রেণীতে রূপান্তরিত করেছে।

দৃষ্টান্ত না-বাড়িয়ে এখন এই সিদ্ধান্তে মাপা যায় এদেশে ইংবাজ্জি শিক্ষাপদ্ধতি সাআাজাবাদেরই দোসর স্বাংঈনতা-স্পহার জন্ম ইংবাজিয়ানাকে অন্বীকার করেই) |

কোনে সাম্রাজ্যবাদই তার অস্তিত্বের প্রয়োজনে উপনিবেশের মানুষের হাতে তার ম্ৃত্যুবাণ তুলে দিতে পারেনা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদও তাই কোনে* ব্যতিক্রম নয়

2

সম্প্রদায়িকতার উৎস সন্ধানে

বাঙলা দেশের এঁতিহাসিক বৈশিষ্ট্যগ্তলি পর্বাগ্রে অনুধাবন করার প্রয়োজন। পাচ শতকে গ্রপ্ত যুগ থেকে দেশে ব্রাহ্মণ্যবাদ ঘাটি গাড়তে শুরু করেছে যথারীতি ব্রাহ্মণ-বৈদ্য-কার়স্থ সমাজ ব)বস্থায় উচ্চালনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। অন্যদিকে বঞ্চিত সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রাম যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন সময়ে উদ্ভূত ব্রাহ্মণয-বিরোধী আন্দোলনে তার নাম বৌদ্ধধর্মই হোক, বৈষ্ণবধর্মই হোক (কিংবা ইসলামধর্মহ হোক।

পরিবর্তিত পটক্ষেপে এই উচ্চবর্ণের হিন্দুরাই আবার মুঘল শাসনে দরবারে যেমন উচ্চপদ গ্রহণ করেছে তেমনি হিন্দু বেনিয়। শ্রেণী সরকারের ফিনানসিয়ার ছিসাবে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের লগ্িদার হিসাবে প্রচুর প্রভাব খাটিয়েছে।

সতেরো শতকের তুকী-আকগান ইসলামী আমলে, উচ্চবর্ণ হিন্দুদের এতাবৎকাল অবহেলায় স্থানীয় নিম্নবর্ণের জনসাধারণ মুক্তির আশায় বিশেষ করে 'বস্তৃত পূর্ব বাঙলায়, দলে দলে ধর্মীস্তর গ্রহণ করে ইসলামধর্শকে আলিঙ্গন করল। কিন্তু তথাকথিত তুকী-আফগান অভিজাত শ্রেণীর ব্যবহার উচ্চবর্ণের হিন্দুদের চেয়ে 'কছু বিপগাত হলন।

শাসক পার্টির শ্রেণী চরিত্রের সঙ্গে উচ্চবর্ণের হিন্দু বা মুঘলমান এক ভূত হয়ে তাদের শেণীগত এ্রীতহাসিক উদ্দেশ্তেই সম্পাদন করেছে।

উল্লেখধোগ্য ঘটনা, মুঘল সাম্রাজ্য বথন হ্েেডে ভেডে পড়ছে তখন এই নাঙলাদেশ সমৃদ্ধির চুড়ায় স্থির দাড়িয়ে এয়েছে।

উরজজেবের রাজসভার প্রধান চিকিৎসক ভিনিশ, মানুচীর সাক্ষ্য : “4৯110010765 216 00 01017 1701০. 015, [00150, 09110, 00091105, 01001)5 0 £010 2170 911.”

১৭০০ খ্রীষ্টাবে মুশিদ কুলি থার আমল বাঙলাদেশের গৌরবময় যুগ।

কিছু ভূম্যধিকারী 'বানিয়া” হিন্দুদের যোগসাজমে ইস্ট ইত্থিয়! কোম্পানি তথাকথিত “পলাশীর যুদ্ধ” নামক তে ঘটনাটি ঘটালেন তা

আসলে, কে. এম. পানিন্করের ভাষায় “৪. 08059000100 ১9006, 2 08105700020 175 17101) [106 ০010101:8001:5 0: 31791 1০0 0%182968 ১96 3019 0176 0৬25 60 002 7950 110019. 05010101005.” পরবর্তীকালে ভারতীয় শাসক শ্রেণা যে-ভূমিকা নেবে তারই এঁতিহাসিক ইঙ্গিত কী এই ঘটনার মধ্যে নিহিত নেই? শাসক হিসেবে ব্রিটিশের নিশ্চিত পদপাত ঘে তাদে, দৃরদৃষ্টিতে ছিল এই ঘটনা এবং যখনি যে শাসক এসেছে তারহ সহযোগী শ্রেণী হিপাবে এদের গাটছড়া বন্ধন আরেকটি সত্য উদ্ভাসিত করে যে, সাএ্রাঞ্যবাদের প্রতি এই শ্রেণীর আত্যন্থিক শ্রদ্ধা-গ্রীতি-মাস্থ! তাবৎ উচ্চবিত্ত মানসকে আপ্লুত করে রেখেছে। সাম্রাজ্যবাদের প্রতি এই জাতীয় নিঃশর্ত ভালোবাপ। বিশ্বের ওপনিবেশিক শোষণে জর্জরিত কোণো মধ্যশ্রেণী বুদ্ধিজীবীদে৭ চরিত্রে নেই! এ-বিশেষত্ব সম্পূর্ণ “ভারতীয়”।

ভূমিরাজন্বকে পাক্চাপাকি ওঁপনিবেশিক শোষণের জোয়ালে বেধে নেবার স্বার্থে, প্রাচীন সামন্ত প্রধাতক নবীকণের গঞ্জে এবং মুহুমূন্ছ কৃষকদে? বিক্ষোভেব বিরুদ্ধে এমন একটি জমিদার শ্রেণী গডে তোলবার জরুরি প্রয়োজন, যার] কৃষকদের বিক্ষোভের বিরুদ্ধে ঢাল হিসাবে বাবহত হবে, তথা ব্রিটিশ- প্রদত্ত নিরঙ্কুশ ক্ষমতায় স্থিত হয়ে ইংরাঙ্গ প্রহুকে লুঠের ভাগ দেবে !

চিবস্থায়ী বন্দোবস্ত এই ব্যবস্থা।

১৮২৮-এ গভনর জেশারেল কেনিস্কের মন্তব্য 2 [1 ১০০০]ৈ ০৭ +৮2100105 220117১0790) 0108 910010 0: 10৮)10110)1), 1 51790014 40৮ 0100 0100 02110017017 01001017051), 00005] 91106 1] [0275 00191104000, 9101 111 17030 ০১২০)01715, 1004 0015 27080 70010280 2016250 01 12৬10 ০09810৫ & ৬০১ 930৬9106201) 1917160 টার ৭০৫9 11106104641 17 0100 00110117012706 ০0 07013010151) 10011011101) 2110 117৬115 0)001)1200 ০1)011001)0 0৬০৫ 0170 100১১ 01 016 70০010165.৮

মুঘল আমলে যে মুসলিম ভূম্বামী তথা বাদশ্ব আদায়-কর্তারা যুক ছিলেন তাদের সৌভাগ্যের দিন অন্ত হল। ইস্ট ইণ্ডিয়। কোম্পানির সঙ্গে চাকরি নানাবিধ হ্ত্রে থে হিন্দু বিতশালী সম্প্রদায় বিশ্বাভাজন হয়েছিলেন তারাই এই নতুন ব্যবস্থার স্থষোগ নিয়ে “নতুন জমিদারে” পরিণত হলেন! অর্থাৎ ছিন্দু উচ্চবর্ণ শ্রেণী ত্রাঙ্গণ-বৈচ্য-ক্ষত্িয়

৮৪

এই ভূত্বামী স্বার্থ বিজড়িত মধা শ্রেণীই উনিশ থেকে বিশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের চাম্পিয়ান হয়ে উঠল, সাম্রাজ্যবাদী চরিক্কে আড়াল করে ইংরাজি শিক্ষা-পভ্যতা শাসন-বিচার- পদ্ধতি যাবতীয় বস্তুর “অনুগত ভারতীয় প্রজ্ঞা” হিসাবে পরম সমর্থক হয়ে উঠল বিচিত্র কী, মুঘল শাদনে “কাস” সরকারিভাষ! হওয়ায় সেদিন এহা সরকারি চাকরি কবচ্ছা করতে ছুটে গিয়েছিলেন সেই স্থবাদে এরা “ইংরাজি” ভাষারও প্রচণ্ড সমর্থক

রামমোহন রায় কৃতজ্ঞতা জানালেন এই ভাষায় £$ ৮[0019179 ৪12 10100170615 [1000 1705 700৮1401000 01170610176 70:0902061018 01০ 10015 911019]) টি200 0 00 দত 01 21051900 2150 1015 ,0োণুও 0. 0০010170175 21০ (11617 1.০51৭129167ান, 2100 0178: 017০5 016 9০০01190 1) 0170 21010517701) 0116 ১210০ 01৮11 2120 1011,10013 011৮119595 01791 ০৮০9 00100] 15 017:10০41 10 [22100 খ্রীণ্চান হ্রনসাধাবণে নিশ্টট আনেদনে তিনি আবে ক্ষালালেন ৮00০ 50102006 10100501০06 1176 01151615610 112৮11 016১17০০161 0611০120011 01101101015) 00107 0170 1026 ০1701100160] [ো)া)ত “10৯ 0োা0া [0], [20০৭ 1 01701 01)0 (30৮০1101001 01 01101081111. ইত্যাদি

শালক চরিত্রের বদলে” সঙ্গে সঙ্গে এবএনের আনুগত্যের বদল দেশীয় সহযোগী শ্রেণীর পক্ষেই সম্ভবপর: অবশ্বাই ব্রিটিশ শাসনের এই ব্ল্যাণকাতী ভূমিকান্স গদ্গদ হয়ে-এঠা কামমোরনের পক্ষেই স্বাভাবিক, কারণ এ'রাই সর্বাগ্রে শাসকেব কাছে প্রভৃভক্িব পুবস্কার পেয়েছেন, ব্রিটিশ শাসনের পূর্ববতী মুসলিম শাপন রামমোহনেব মতে! উচ্চবুণণর হিন্দুদের স্বার্থ কী পরিমাণ ঘা দিয়েছে পুরোপুরি জানা না-খাকলেও রামমোহন ফাসী শিখেছিলেন তদানীস্তন সরকাবি চাক্ষরির স্থণিধে গ্রহণ করবার জন্যেই এবং বচেয়ে কৌতুছলের, রামমোহনের ঘষে শিব “রাজ্ঞা” “পাবে মণ্ডিত তা৪ মুঘল সম্রাটের অনুগ্রহে গা

এবার গোট। পরিস্থিতিকে পধীলৌচন' ক'রে দেখা যেতে পারে উনিশ শতকে মুসলিম মধ্যশরেণীর ছুবল'ত! আনাদেব ইতিহাসে গভীর স্বাক্ষর ফেলল। লখনৌ, দিলি, লাহোর, এই মুসলিম কেন্দ্রীয় অঞ্চলগুলি যখন অস্ধকাবে ডুবছে তথন ব্রিটিশ কেন্দ্র-কলকাতা', বন্ধে, মাদ্রাজ আলোর রোশনাইয়ে

ঝলমল করে উঠেছে। সরকারি সহধোগিতার দক্ষিণহস্ত উচ্চবর্ণের হিন্দুদের দিকে প্রসারিত হয়েছে--চাকরি, নানাবিধ বৃতি এবং স্থানীয় ব্যবসাবাণিজ্যে হিন্দুর] দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করেছে।

এই অর্থনৈতিক তারতম্য ছুই প্রধান সম্প্রদায় হিন্দু মুনলমানের মধ্যে এমন প্রকট হয়ে উঠল যে, ১৮৭ থেকে তথাকথিত “সাম্প্রনায়িক সমন্য।” কে স্থযোগ মতে। ব্যবহার কর) ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অগ্চতম রাজনৈতিক অন্ত্র হয়ে উঠল। এই প্ভাগ বরে! এবং শাসন করো” নীতি ইংরাজের আয়ুফ্ধাল এদেশে প্রলধিত করেছে। সাম্রাজ্যবাদের ভাষায় 400120170701091157) 020৩5 0101 (৩136 ৬৮০11 309০6 010 01321) 10 0101155 01 109911.

ব্রিটিশ শাসনের স্থচন৷ :থকেই যে কাট। বিদ্ধ ছল তাতে ইসলামী শাপনে স্থবিধাভোগী অভিজাত মুসলমান এবং সংখ্যাপ্তর দরিজ্র মুদলিম চাষিসমাজ এই বিদেশী শাসককে সহযোগী উপরতলার হিন্দু সম্প্রদায়কে সন্দেহ, অবিশ্বান এবং তাদের অনন্ত দুর্দশাব প্রত)ক্ষ বা পরোক্ষ কারণরূপে গণ্য করেছেন।

'ামাদের বিশ শতকের ত্রিশ দশকের আগে পযন্ত কংগ্রেসের জাতীয় আন্দোলনে ঘৃণত জমিদা'ব ব্যবস্থা উচ্ছেদ মারফত রায়তদের, বিশেষ করে সংখ্যাঞগ্চর মৃললমাপদের রক্ষাথে ঝোনে। প্রশ্তাবই নেয়। হয়ণি।

জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বে উপরতলার হিন্দুদের প্রাধান্য থাকার কারণেই দীর্ঘদিন এমন ব্যবস্থ। নেয়া ঘায়নি।

কষ্ণমোহন ব্যানাজী স্থ্দেন বাড়,জ্যের ইত্ডিঘ়ান আসোসিয়েশন প্রথম দিকে কুধকদের স্বার্থ ব্যাপারে আগ্রহ :দখালেও জোড়াসটকে। কবলিত ব্রিটিশ ইগিয়ান আপোসিয়েশন বরাবরই জমিদারি স্বার্থের পোষণ করেছে। পরবতাকালে ছিউম সাহেবের উদ্চোগে &প্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের জন্ম হলেও স্মরণ রাখতে হবে ভাইসরয় লর্ড ভাফরিনের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই তা গঠিত হয়েছিল। এর উদ্দেপ্ত ছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুঘায়া একটি বিরোধশ পক্ষ হ্ষ্টি করা অস্থির জণত।1*ও সরকারের একগুয়েমির মাঝখানে একটি সেফ-টিভালফ, তৈরি করা। উল্লেখষোগ্য, স্থরেন বাড়,জ্যের ইত্ডিয়ান আযসো[পিয়েশনের নীতির নঙ্গে এই সঙ্চোজাত কংগ্রেসের কোনো মিল ছিলনা স্বাভাবিক কারণে কংগ্রেসের জন্মলগ্নে ইত্ডিয়ান আঅ]াসোসিয়েশনের

২৪

নেতাদের আহ্বান আসেনি কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশন কলকাতায় প্রস্তুতির জন্যে যখন ছিউম এসে দেখলেন বাঙলাদেশে এই জনপ্রিয় নেতাদের বাদ দিয়ে কিছু করধারই উপায় নেই তখন বাধ্য হয়ে নেতাদের লাছাধ্য নিতে হল।

কিন্তু কংগ্রেসের কাজ নশ্বৎংসরে কয়েক দিনেয় উৎসব জাতীয় কার্ধকলাপে সীমাবদ্ধ রইল। অশ্বিনী দত্ত পরিছাস করে যার নাম দিয়েছিলেন "তিনদিনের তামাশা;

ইতিমধ্যে শ্রেণীন্বার্থে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ভূত্বামী এবং সরকারী পদমর্ধাদায় যুক্ত উচ্চ মধ্যশ্রেণীর হিন্দুর! হিন্দু পুনজাগৃতির ত্বপ্লে এমন বিভোর হয়ে গেলেন 'ষে, ধর্ম-রাজনীতি মিলে মিশে একাকার হয়ে গেল। বৃহত্তর ম্বাধীনতার আন্দোলনের বাতাবরণ পর্যন্ত এই ধর্মের ধৃপধূনোর গন্ধে অন্ধকার হয়ে এল।

১৯০৫--১৯১১ বজভঙ্গ প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে ঘষে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে উঠল তাতে করে দুই প্রধান সম্প্রদায়কে সামিল করবার স্থষোগ এসেছিল। দেখা গেল ঢাকার প্রতিক্রিয়াশীল নবাব ছাড়! অন্য মুসলিম নেতারা বঙ্গভজের বিরুদ্ধে তাদের রায় দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন আবছুল রম্থল, ময়মনসিংহের আবছুল হালিম গজন্ভি, বর্ধমানের আবছুল কাসেম এৰং লিয়াকত হোপেন প্রমুখ এমন কী আলিগড় মুসলিম কলেজের সম্পাদক মোহসীন-উল-মূলক জানাচ্ছেন, তরুণ ছাত্রের! কংগ্রেসের দিকে ঝুকে পড়েছে, তাদের আটকে রাধা যাচ্ছেনা। উপরস্ক বিদেশী বস্ত্র বর্জনের পক্ষে এই হ্দেশী আন্দোলনে মুসলিম তাতীর। পধস্ত এগিয়ে এসেছেন।

দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের জাতীয় নেতৃবর্গ, স্থরেন বাঁড়জ্যেকে বাদ দিলে, আন্দোলনের এই সেকুলার চেহারাটিকে ধরতে চেষ্টা করলেন না। হিন্দুধমীয় সংস্কার এমন একট। আনুষ্ঠানিক অজ হয়ে উঠল যেবঙ্গভ্গের ঘোষিত দিন ১৫ অক্টোবর ১৯০৫ থেকে শুরু হয়ে গেল রাখীবন্ধনের ধৃম, হিন্দুর! ঘট! করে গঙ্গান্নানে পবিজ্র হলেন, কালীমৃতির সামনে শপথ শিলেন, বন্দেমাতরম্‌ ধ্বনিতে আকাশ মুখরিত হল।

জাতীয় আন্দোলনে জাতীয় ধমীয় সংস্কার অন্ত সম্প্রদায়ের আবেগকে বাধ! দেবে কি না ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চিত্ত! ছিম্দু নেতাদের মনেও এলন|। খদদিও বরিশালে মুললিম জনলাধারণ এই স্বদেশী জোয়ারে যোগ দিয়ে গণ সঙ্গীতে এবং হিন্দু মুসলিম নিধিশেষে “বন্দেমাতরম্” "আলাহো আকবর*

ধ্বনিতে পরিস্থিতিকে মাতিয়ে তুলেছিলেন, তাহলেও এটি স্থানীয় ঘটনা

এই আন্দোলনের ছূর্বলতাকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ত্বাভাবিক ভাবে কাজে লাগাল ১৯০৬ এর ৩০ ডিসেম্বর আগা খান ঢাকার নবাব সালিমুল্পা খানের নেতৃত্বে জন্ম নিল মুসলিম লীগ। লীগ বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে ঘোষণা করল : এতদ্বারা মুসলিম জনসাধারণের মঙ্গল হবে, কাজেই মুসলমানর1 বয়কট আন্দোলন বন্ধ করুন।

পূর্ববঙ্গে ত্বদেশীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বানানো হল। কুমিল্লা জামালপুরে সাম্রদায়িক দাংগার আগুন জলে উঠল। ভাইসরয় লর্ড মিনটো৷ এই সাম্প্রদায়িকতায় উল্লমিত হয়ে মন্তব্য করলেন “01165 11] ০6 0 5০001 11771006110 0115 70601016 10 [105121)0 01900 016 03017521115 1001 6৬০10090511) [100019) 1] 900 0110 7101)910100001) (5010010001915, ৮161) 10101560) ৮৮017 0০ 2 100010]) 50010612100] 10)010 09175010১ 9০001 009 0291 ৬101) 0161) 010 130179115-

ঘাই হোক বঙ্গতঙ আন্দোলন বাঙল। দেশকে ছাপিয়ে সর্বভারতীয় জনমতে বিশ্ভীণ হলে এবং বাঙলায় সশস্ত্র বিপ্রবী আন্দোলনের প্রচণ্ড গতিবেগে ইংরাজ আতংকিত হয়ে শেষ পর্যন্ত ১৯১১তে বজভজ রদ করতে বাধ্য হল।

কিন্ত, সাম্প্রদায়িকতার কাটা সমানে বিধেই রইল। এই আন্দোলন সাধিক মুসলিম জনসাধারণের উপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারল না।

এই বিষয়টি অন্থসন্ধান করবার প্রয়োজন রয়েছে যে, বঙজগভজ আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণীগত দৃষ্টিভঙ্গির মৌলিক পার্থক্য আছে। হিন্দু জমিদারদের বার্থ ছিল পূর্ববাঙলার জমিদারির অধিকারকে অক্ষর রাখ! বজ বিভাগ হয়ে গেলে তাদের অপুরণীয় ক্ষতি হত।, অন্যদিকে সংখ্যাগুরু মুসলমান প্রজাদের স্বার্থ জমিদারের সংখ্যাতীত বেআইনী করের হাত থেকে কিছু স্বপ্তি পাওয়া একথ। ঠিক জমিদার হিসাবে মুসলিম জযিদারও মুসলিম প্রজাদের প্রতি সদয় নন। কিন্তু মুসলিম জনসাধারণের ধর্মগত প্রশ্নের ্বাভাৰিক উন্মাদনা তাদেরও বাসুব ঘটনাটা! সব সময়ে বুঝে উঠতে দেয় নি। রাজনৈতিক অজ্ঞতা তো আছেই।

স্থরেন বীড়,জ্যের মতে “সেকুলার” রাজনৈতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা এবং বিভিন্ন সময়ে গ্রাম-বাঙলার কৃষক অবস্থার প্রতি ধিনি লহাহুভূতি- শীল, তিনিও শেষ পর্ধস্ত শ্রেণী _ক্সীমাবদ্ধতার উধ্বে উঠতে পারজেন না।

খত

“ভারত সম্রাট সপ্তম এভোয়ার্ডের শোকসভায় তিনিও প্রকাশে নতজানু হয়ে: তার স্মতির প্রতি শ্রদ্ধা! জানিয়ে চুড়ান্ত করলেন।

গান্ধীজির আবির্ভাব ঘটল রাজনৈতিক মঞ্চে। প্রথম থেকেই গান্ধীজি রাজনীতির সঙ্গে ধর্মের মিশেল দিয়ে রাতারাতি “অবতারে” পরিণত হুলেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সমূহ ছূর্বলতাগুলি রয়ে গেল সম্প্রদায়, বর্ণের বিশি সমস্যা গুলিকে পাশ কাটিয়ে তিনি শ্রেণী-সমস্বয়ে বিশ্বাসী হয়ে উঠলেন।

১৯২*-২২-এর অসহযোগ পান্দোলন ব্যাপক জনসাধারণের গণ-আন্দো- লনের রূপ নিতে উদ্ধত হল ৯৯২২এ চৌরিচৌরায় নিগৃহীত কষক আন্দোলন- কারীদের রোষে বাইশজন কনেস্টবল অগ্রিদঞ্ধ হলে গান্ধীজি মাঝপথেই আন্দোলন প্রত্যাছার করে নিলেন। ইতিহাসে এর নাম “বরদল্ই হুল্ট?। কংগ্রেসের প্রপ্তাবে পরিস্থিতিটির চেহারা! পরিফার "৮176 %/01115 ০1201710056 2.0৬1525 (00017616955 ৬0105215120 0159810129610105 [0 1001] 0106 7999991005 010810 10101019115 01 121)0 08517061000 7781101100615 15 0010021গ 009 010 (00175:995 12১010010105 9170. 117]1011- 0005 00 01) 10290 11706130501 01০ ০০91)0:5." একই প্রস্তাবে জমি- দারদের আশ্বাদ দেয়। হুল “01090 050171255 000৬1770106 15 117) 100 ৬০৬ 11051709700 ৪6০05 0361 10591115105 200 0380 ০৮17 11016 0100 5005 10৬০ 8716৬910095, 0106 ০0121016666 02019250796 ০01655 106 ২08]) 05 1000091 509105010901010 9150 91010901010,

গান্ধীজির নেতৃত্বে এদেশে যে গণ-আন্দোলন বারবার প্রস্তত হয়ে উঠেছে গান্ধীজির শ্রেণীগত আনুগত্য এবং গণআন্দোলন ভীতি তাকে সার্থক রূপ নিতে দেয়নি কারণ গান্ধীজির সীমাবদ্ধ চেতনায় বিভিন্ন শ্রেণীর স্বার্থের পরিপোষণ সম্ভব। ণয়। জমিদার কলকারখানার মালিকদের পৃষ্ঠ পোষণ! হারানো কংগ্রেসের পক্ষে অসম্তব ।* নির্যাতিত কৃষক শ্রমিকদের পক্ষাবলদ্বনও অসম্ভব ফলত, কংগ্রেসী আন্দোলন অভিজাত-উচ্চ-মধ্যবিত্ত শছরে বাবু শ্রেণীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রইল। নীচুতলার জনলাধারণ এই জাতীয় শ্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পকে সন্দেহ, সংশয়, অবিশ্বাস করতে শুরু করল।

বিশেষ করে বাওলাদেশের সংখ্যাগুরু মুসলিম কৃষক সাধারণ এই জাতীর়- তাবাদী আন্দোলন সম্পকে উদাসীন হয়ে উঠলেন। বিশেষত্বটি মরণ রাখতে

চি,

হবে এদেশের প্রধান জমিদারগোষী হিন্দু এবং শ্ররা কংগ্রেসের উৎ্পাহী পৃষ্ঠপোষক

৯৯২৮-এ আর একবার স্থযোগ এসেছিল। বেঙ্গল টেনানসি আযাক্টে কৃষক প্রজাদের জমির উপর অধিক হ্বত্ব প্রতিষ্ঠার কথা উঠলে আইনসভার কতিপয় মুসলিম সভ্য ছাড়। শ্বরাজ্য পার্টি “হিন্দু জমিদারের' স্বার্থে প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল।

এই শ্রেণীন্বার্থের সংকীর্ণত৷ সাম্প্রদায়িক কা নামক বিষকে একটু একটু করে সমাজদেছের রক্তে সঞালিত করেছিল।

মুসলিম নেতৃত্ব কুষকদের এই অসস্ভোষকে নিজেদের প্রয়োজনে ঘখন ব্যবহার করতে চাইল তখন মুললিম বৃহত্তর জনসাধারণ সহজেই বশীভূত হলেন।

এবং ব্রিটিশ সাত্রাজাবাদের প্রাক্তন বদ্বুদ্ধই আগামী দিনে জয়লাভ করল। দেশ ভাগ হল।

কাজেই সাম্প্রদায়িকতাকে উদ্দেশ্টমুলক ভাবে যে প্রয়োজনেই কাজে লাগানো হোক না কেন তার বাস্তব অর্থনৈতিক প্রশ্বটিকে বাদ দেওয়! যায়না

ত৮

উনিশ শত্তকী বুদ্ধিজীবী মানস

ব্রিটিশের জয়গান করে বাঙালী বুদ্ধিজীবীর প্রধান অংশের হে যাত্রা একদিন শুরু করেছিল াজো সে-এঁতিহা সে ধারণ করছে বললে তুল বলা হয় ন1। দিলিতে ১৮৫৭-তে যধন জনতা! ব্রিটিশ সরকাবন্তে উৎখাত করবার দুর্ধর্ সংগ্রাম করছেন তখন বাঙালী বুদ্ধিজীবী পরম কৃতার্থতার সঙ্গে শাসনে শোধষণে ব্রিটিশের সহধোগীর ভূমিক1 নিয়েছে চিরস্থাক্সী বন্দোবস্তের দৌলতে তখন একটি শক্তিশালী তৃত্বামী শ্রেণী গড়ে উঠেছে, ঘাদের একমাত্র কাজ চাষীদের লুন করে ওুঁপনিবেশিক শোষণের জোয়ালে বেধেদেয়া। রাম- মোহন, দ্বারকানাথ, দেবেন্দ্রনাথ দেশে সেই সব ভূম্যধিকারী, যার! জমিদারি স্বার্থকে অক্ষুপ্র রেখে ধর্ম-সমাজ-শিক্ষা-সংস্কারে মনোধোগ দিয়ে- ছিলেন। একদিকে জমিদারি ব্যবস্থাকে সমর্থন অন্যদিকে দেশের হিতলাধনে সংস্কার করবার শুভেচ্ছা__-তাদের চরিত্রকে দ্বিমুখী করে তুলেছে অথচ শ্রেণী- ্বার্থঞজনিত চিন্তায় এর অন্যথ] হবার উপায় ছিল না। কারণ জমিদারি স্বার্থের সজে ওপনিবেশিক শোষণের শেকল বাধা থাকলেও এই সব মনীষীদের অস্তিত্ব প্রতিপত্তি রক্ষার সমশ্যাটিও ছিল এর মধ্যে নিবন্ধ। নিজেদের পায়ে কুড়,ল মারতে তো এর! পারেন না। ততদিনে যুরোপীয় শিক্ষাসভ্যতার চোখ- ধাধানে! ওজ্জল্য তাদের দেশ সম্পর্কে একটা হীনমন্তা বদ্ধমূল করে দিয়েছে তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাদ করে ফেলেছেন ইংরেজ না এলে আমর! ভারতীয়েরা অন্ধকার নরক থেকে এত শীঘ্র মুক্তি পেতে পারতাম না। এই সব মনীষীরা ভূলে গেলেন, ধে-*শিললবিপ্লব” ইংলগ্ডের একটি গৌরবময় অধ্যায়, তার কাচামাল গেছে ভারতের থেকে, এ-দেশকে অমানুষিক শোষণ করে। মুঘল- যুগেও যে উদ্নত অর্থনৈতিক এঁতিহা আমাদের ছিল, যার স্বাক্ষর তার কৃষি তত, রেশম লবণ শিল্পে, তাকে গুঁড়িয়ে ভেঙে চুরমার করে দেয়া ছল। ভারতীয় বেনিয়ার! ধারা এই সব শিল্পে টাকা লগ্রি করতেন জাইন করে তা নিষিদ্ধ করে তাদের কেবলমাত্র জমিতে লগ্নি করতে বাধ্য করাছল। এদিকে তখনো যথেষ্ট কৃষি উপযোগী জমির ব্যবস্থা না থাকার জন্যে জমিতে পড়ল

অত্যধিক চাপ, তার ফলে জীবিকার ক্ষেত্রেও বেকারের সৃষ্টি হল। জীবিকার নানান উপায় থাকার জন্যে ঘা এতদিনও প্রকট হয়নি।

অন্যদিকে একমাত্র ওপনিবেশিক শোষণের খান্য জোগাতে যে চিরস্থায়ী বন্দোবন্তের ত্ষ্টি ছল সেখানে কৃষির উন্নতির জন্যে না ইংরাজ না জমিদার কারুরই সেচ ব্যবস্থার জন্যে মাথাব্যথা হুল না। যেটা সর্বাপেক্ষ। জরুরি ছিল তাকে পরিহার করে, ইংরাজ এদেশের সম্পদকে আরো দ্রুত লুঠ করবার জন্যে উদ্গ্রীব হয়ে উঠল কথা ম্মরণ কর! কর্তব্য যে ওপনিবেশিক শোষণের কৌশলকে ত্বরাদ্বিত করবার একমাত্র উদ্দেশ্্েই রেলপথ প্রবর্তন কর] হয়েছিল।

আমাদের মনীষীরা সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় বেদনাদায়ক নিশ্চুপ তারা অধিক পরিমাণে ইংরাজ্জম শাসনে অংশ নেবার জন্যে সরকারের দ্বিতীয় উদ্দেশ্বমূলক পদক্ষেপ মাধ্যম-লসহ ইংরাজি শিক্ষার প্রবর্তনে সক্রিয় নমর্থক হয়ে উঠলেন। ভাষা! যে সাম্রাজ্যবাদী স্থার্থরক্ষারই আর একটি বলিষ্ঠ হাতিয়ার, সে-সত্যটা তাদের চোখে ধরা পড়ল না। ইংরাজদের যন্ত্রে-গ্রস্তত সামগ্রীর দেশে ঢালাও বাবসা করতে গেলে ঘে আচার-আচরণে কালো চামড়ার সাহেব তৈরি করতে হুবে সাম্রাজ্যবাদ তা বুঝেছিল। তাই নগরকেন্ত্িক উচ্চশিক্ষার প্রতি ইংবরাজ সমস্ত মনোযোগ নিবদ্ধ করে গ্রাম- ভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থত্ভাবী বিপদকে দীর্ঘকাল এড়িয়ে গেছে বলা! বান্লা ইংরাজের এই উদ্দেশ্ট সার্থক হয়েছিল, ইংরাজি শিক্ষার কজ্যাণে শহুরে ইংরেজিনবীশ বাবুশ্রেণীর সজে গ্রামীণ মানুষের আত্মিক সম্পর্ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেল।

কথা শ্বীকার করাই নিরাপদ যে, ভূম্বার্থের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্তে উনিশ শত্তক থেকে বুদ্ধিজীবীরা যে ঘ্বৈত ভূমিকা গ্রহণ করেছেন তা বৃহত্তর জনগণের কল্যাণ আনেনি তাই দেখা যায় জমিদারের যে-জাইনী আদায়ের অজুহাতেই হোক কী নীল ব1 সাঁওতাল লমাজের কৃষক বিজ্রোছের কারণেই হোক, মেকালের প্রধান বুদ্ধিজীবীগণ প্রগতিশীল ভূমিকা! গ্রহণ করতে পারেননি রামমোহন বা বঙ্ষিমচন্দ্রের মতো! মনীষীরাও চিরস্থায়ী বন্দো- বন্তের কুফল সম্পর্কে অবহিত হওয়া সত্বেও তা রদ করার স্বপ্ন দেখতেও ভালোবাসেননি তার কারণ কী এই নয় থে সামস্ততত্ত্রের বিরোধিতার অর্থই ছিল সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা? “নীল দর্পণ, বা “জমিদার দর্পণ গ্রন্থ ছুটি ঞম্পর্কে বিরোধিতা বস্কিমের এই মনোভাব থেকেই।

৩৬

এটি একটি জনপ্রিয় থিসিস হিসেবে