|

সস ফাসির ঠা ঠূ রহ -্টু সি চি রর নখ পে সি & ০০০০ সনি পাপ

রা টিটি এত দিন টির পি ঞ্ ব্জী চে

ঞয শোদানন্দনসরকার

মঙ্ক লিভ

দ্বিতীয় সংস্করণ

০০০

টি পো পিসি ৯০ চট নিবলন, কস টে উস িসিলা কিউ হিলি সিএ

কলিকাতা

সি পা লি পাশ জী সী তি পি

চোরবাগা।ন ছুবমমোকছন হন্দা।পাধায়ের জেন ৩০ নহ

নিউসরর্কার্স প্রেসে মুদ্রিত।

উপ পটার সিসপ৭ _ শা ৩৯৯ ৮৯১৫৮৯ +৮৭

সন ২৮২ দাল।!

জাজিরা নাজ

48

মূলয ১1০ টাকামাত্র।।

শক্তিশেল।

ভীম শোদানন্দ সরকার

সঙ্কলিত

দ্বিতীয় সংস্করণ

কলিকাত।

চোরবাগ।ন ভুবনমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেন ৬০ লহ

নিউসরকাস প্রেসে মুদ্রিত।

গান ১২৮২ সাল।

রায়ের তালার সহিত বর্তমান ভাষার যে তাঁদৃশ বৈসাঁদৃশ্য নাই, এই কারযে” ন।ই | সংস্কত তাঁষার সমুদায় শব্দই বঙ্গল। ভাষায় আনিতে পারা না মুতরাঁং তহ্সমন্ত পরিবর্তন নছে। রাঁমমোছন রায় বু কাঁল পুচ র্ব'যে সকল সংস্ক, শব্দের প্রয়োগ করিয়া গিয়াছেন' আমর।ও বত্তমান সমপ্য়.ভবিকল তাহাই করিঘা থাকি তবে, যে যে স্থলে তিনি ২ন্কত বাকবণের সাগ্গাঘ্য না পাইয়া, আপনার বুদ্ধিতে লিখিয়া- ছেন, সেই সেই দ্থালেই উহার সহিত আমাদের যাহা কিছু অটনকা ঘটিয়া থাকে এক্ষণে দেখ] উচিত, দে মকল কিরূপ স্থল | 'আমাঁদের ংল্কার আছে, বিভক্তি রুৎ স্থালেই এরূপ অনৈকা ঘটিয়া থকে | কারণ, বাঙ্গলা ভাষার মেই সেই স্থলেই কেবল সংস্ক.ত বাঁকরণের সাহায্য পাওয়। যায় না; অথবা পাইলে, বাজলার সহিত সংস্কতের কোন প্রভেদ থাকিতে পারিত না| রামতমাহন রায় মে স্থলে “এতৎ পদের? বলিয়াছেনঃ আমরা সে স্থলে "এই পদের বলিতে ভাল বালি, যে স্থলে আমারদিগের' বলিষাছেন, সে স্থলে ' আমাদিগের এবহ যে গলে করতঃ? বলিয়াছেন আমর! মে স্থলে 'করিয়) বলিতে ভালবামি রামমোহন রায়ের সহিত আমাদের সকল অনৈক্য ঘটিব!র কারণ কি? প্রথম, াভার সময় শিক্ষিত লোঁক ছিল না, সুতা অনা কাহার কচির সাহায্য ন! পাইয়া, তাহাকে কথিত স্থলে সংস্কতাদি ভাষায় কচির সাহায্য অপেক্ষা করিতে হইবাছিল। তিনি দেপ্লেন 'রুত্বী? বলিলে সংশ্কত হইয়া গড়ে, আবার 'কোরে বলিলে গ্রামাত্ব হয়; সুতরাং রুধাতুর উত্তর ত্বা না! লিখিয়া, 'কর' এই পদের উত্তর প্রত্যয় করাই তীহার পক্ষে ঘুবিবা হইল কিন্তু করত? নিিশ্র বীঙ্গল! বলিয়! কর্ণমুখ না হওয়াতে, আমর! 'করিয়া, এই পদের পক্ষপাতী হইয়া! পড়িলম ফলতঃ, এক ভাবার শব্দের উত্তর আর ভাষার অনুসারে প্রতায়াদি করিলে বা এক ভাষার পদের লহিত অপর ভাষার শঙ্দের সমাঁসাঁদি

৬/

করিলে, কোঁন ক্রমেই কর্ণনৃখ বাযুক্কতিসিদ্ধ হয় না| বহার! বাঁজ- লাভাষাঁর উন্নতি করিতে ইচ্ছ,ক, এই সকল বিষয়ে তাহা দিররপতর্ক থাঁকা উচিত | অন্পমাত্র পরিশ্রম স্বীকার করিলেই, +সর্ঠুল ক্ছলে বিশদ্ধ ভাবে লিখিতে পারা যায়। |

বিভক্তি রুদাদি স্থলে আমাদের আঁর€ সতর্ক হওয়া উচিত। কাঁরণবাঙ্গলাভাষায এরূপ কতকঞ্চলি পদ আছে শৃহাদিগকে আপাততঃ শুদ্ধ বলিয়া বোধ হয়, কিন্ত বাস্তবিক তাহার! অসাধু বোঁধ হর,পুর্ধতন অজ্ঞ বিষয়ী লোকের! তাহাদিগকে এন্ধপ করিয়। গিয়।ছেন | যথা “তাহার, “কাহার "বহার? ইতাদি। স্থলে 'তার' কার “যাঁর ইতি শুদ্ধ নলিয়। বোধ হয়| 'তিদ' “কিম 'ঘছ। ইত্যাদি সংস্কত শব্দ হইতে তে" ক? যা? ইতাদি লইয়। তাঁহাদিগের উত্তর বাঙ্গল1 বিভক্তি যোগে পদ সম্পন্ন হইয়া থাঁকে | সুতরাং, উহ্বাদিগের মধো ভা? অপিদ্ধ। ফলতঃ, হু" ব্যবহার করা ব্যিয়ীদিগের একটী অভ্যাস। তাহারা মনে করেন। ছু যোগে কৌন কোন শব্দ শুদ্ধ হয়| বোধ হয়, এই নিমিন্ই বিচারাঁলয়ের লেখা পড়ায় আগি' স্থলে “আমিহ? এপুকরিণীর পার ইতাদি স্থলে 'পুঞ্করিণীর পাহাঁর' ইত্যাদি লিখিত হয়| এইনপ, কূদাদি স্থলে 'হুইল' 'লইল' ইতাদি ন। হইর] “টহল? “লৈল? বা 'নিল' ইত্াঁদি ওয়! উচিত | স্বরবর্ণ শন্দের প্রথমেই বলিতে পীরে, মৃধা না আন্তে বদিলে, পুর্দস্থিত বাঞ্ীন বর্ণের সহিত উহার

হযোগ হওয়া উচিত।

পাঠক অনায়াদেই কুনিতে পারিবেন, আমর! বিশুদ্ধ বাঙ্গলর অতান্ত পক্ষপাতী কি পদ)কি গদা উভষ স্থসেই আমরা বিশদ্ব বাঁচ্গলার প্রিয়বাঁদী | আমর] পৃর্থ্েই কহিয়।ছি, বাঙ্গল। উত্্ষ্ট ভাবা ইহা! সংস্কৃত ভাষা অশেন। অনেকাংশে হীন, কিন্তু আমরা ইহার পদের বিষয় যেরূপ বুণিয়াছি, তাহাতে বলিতে পারি যে. বাঙ্গলা পদ্য সংস্বত পদ্য অপেক্ষা অনেক অংশে নিরুষ্ট হইলেও, আর্থ

16

ব্াগনা গ্দাঁদি ব্যগ্রনাঁয় স্থলবিশেষে তাছার অপেক্ষাও উতর হইতেধ্র।রেণ ফলতঃ, বাঁদ্ল! ভাষার ধাতু নাঁড়ী সবিশেষ পরীক্ষা করিয়া ঈদেখিলে বোধ হয়, ইহা! কথিত বিষয়ে পৃথিবীর অনেক ভাঁষা তুপেক্ষা উতক্নন্ট |

কিন্তু দুঃখের বিষয় এই, বাঁজল! ভাঁবা এরূপ উৎকুট হইলেও আণমা- দের পদ্ালেখকেরা ইনার প্রতি তাঁদ্‌শ আস্থা প্রদর্শন করেন না| তীহাঁর। অনেকেই, বোঁধ হয়, মনে করেন যে, বিশুদ্ধ বাজলায় উতক্কইট পদ্য রচিত হইতে পারে না| অনেকের এরূপ সংস্কবারও আছে যে, ক্রিয়াসঙ্কোচ+ পদসক্ষোচ ব্যাকরণাশ্দ্ধি না করিলে, কবিতাঁর মাধুরী হুইতে পারে না| কিন্ত আমর$ বিনয়পুর্ধক নিবেদন করি যে, তাহাদের ওরূপ সংস্কার যুক্তিসম্মত নহে। অঙ্জহী'ন ব! বিকলাঙ্গ শরীরের মাধুরী অনুভূত হয় না; ব্যাকরণ/শুদ্ধির নিয়ম করিলে ভাযাঁরও বন্ধন থাকে না। অপিকন্য' ভাষা অণ্প দিনের মধ্যেই ছুব্বোধ হইয়া পড়ে | সংস্ক,ত ভাঁষাঁয় ব্যাকরণাঁশুদ্ধির নিয়ম নাই এবং পাঁঠ্ক ইহাও মনে করিবেন ন। যে, ইংরাজী পদ্যে বাঙলার ন্যায় কথার কথায় ব্যাকরণ উল্লভ্বিত হইয়া! থাকে শুনিয়াছি, মিল উনের ইপ্রাজী রচনা! অতি উত্কুক্ট। ফলতঃ, মিল টনাদির মত কবি বাঙ্গলায় থাকিলে; বাঙ্গল। পদ্যের« এরূপ অবনতি হইত ন।| আমরা ইহাও শুনি- রাছি যে, প্রশস্ত ইংরাজাঁ পদ গ্রন্থ দকলে অন্যার ক্রিয়া পদ- সঙ্কোচ এবং অন্যায় বাকরণাশ্দ্ধি দেশিতে পাওয়া যায় না তাহাদের মধ্যে ঘে সকল গ্রন্থে এন্সপ দোষ আছে, তাহাদিগকে ইংরাঁজী কথকদিগের শ্বভাবমিদ্ধ বলিয়। বোপ হয় বাভ্তবিক, কবি স্বভাবের অনুগামী ভাষা কবির নুগামিনী হওয়া উচিত। তাহা হইলেই আর কোঁন গোলপোঁগ দটিতে পারে না সংম্ব,ত আলঙ্কারিকের1ও কি রাছ্থেন যে, বক্তা! সেরূপ ধরণের লে।ক, তাহার ভাষাও মেইরূপ হওয়। উচিত | আমর উপরে যাহ] বলিলাম ইহার অর্থ সেইরূপ | “এ কিরে

|/5

বালাই দিদি লাঁজে মরে যাই” স্থলে 'মরিয়া” স্থানে “মারে? বলা হই যাছে। লেখক সহ্শ্র সাবধান হইলেও, স্থলে তীহাঁর লেখনী 'মনিয লিথিতে চাছে না! ! আমর1 ইহাঁকেই স্বাভাবিক ক্রিয়াদোঁষ বাঁ | কিন্ত করিতেছে" স্থলে “করিছে" এইরূপ প্রয়োগ কখনই শ্বাভীবি ব/ হইতে পারে না। অনেকের সংস্কীর আছে, ব্যাকরণাশুদ্ধির নিয়ম ন1! থাকিলে, পদ্য লেখ! সহজ হয় না বাস্তবিক, পদ্য লেখা সুজ নছে | আর নহজ হইলেই ব1 কি? বাঙ্গাল! দেশের প্রত্যেক লোঁকেই ছুই এক পংক্তি পদ্য লিখিতে গারেন | তবে বাঙ্গাল] দেশের নাম কবিদেশ ছয় না কেন? আমাদি- গের সংক্কীর আছে যে, অন্যান্য দেশের ন্যায় বাঙ্গালাতেও কবি অপ্প হুইবাঁর কথ! কিন্তু প্রচলিত রীতির অনুসারে বাঁদ্দল। পদ্য বাঙ্গল। গদ্যের অপেক্ষাও সহজ রচনীয় হইয়াছে বলিয়, বাঙ্গলাঁয় এত পদ্যলেখক দেখা যাঁয়।

পাঁঠিক মনে করিবেন না যে, আমাদের শক্তিশেল বিশুদ্ধ ভাষায় লিখিত হইয়াছে তবে, অন্য কেছ বিশুদ্ধ ভাষায় লিখিতে এপর্যন্ত চেষ্ট করেন নাই, আমর] করিয়'ছি মাত্র | আমরা ক্রিয়াসঙ্কৌচাঁদি পরিত্যাগ করিয়াছি বিশুদ্ধ রীতির একান্ত অন্তুসারী হইয়াঁছি। তবে অক্ষমৃতা বশতই বল বা প্রচলিত রীতির মায়া বশতই বল নূ, "মোর? “সনে * প্রভৃতি ঢুইএকটা অন্যায় কথীও স্থলবিশেষে লিখিয়া ফেলিয়াছি। আমরা যে এই পধ্যন্ত করিয়াছি ইহাই পর্যাপ্ত আমাদের ছাত্রের আবার আমাদের অপেক্ষাও ভাল করিবার চেষ্টা করিবেন ফলতঃ, আমর! কবিত্বের অভিমানী নহি! ছাঁত্রদ্িগকে বিশুদ্ধ রীতিতে কবিত। শিখইবার নিমিত্ত আমরণ এই কাব্য রচন] করিয়াছি!

আমরা মিত্রাক্ষরে লিখিয়াছি, সুতিরাং অমিত্রাক্ষরে যতির অবমানন। হুয় বলিয়া যাহাদের সংস্কার আছে, তাহাদিগকেও অন্ুকলিত করিয়াছি, সন্দেছ নাই ।/ তবে, কবি হওয়! অতৃষ্টের

1%০

কথ | পীঠক মে বিষয়ে আমবদিগকে কোঁন গাঁলি দিলে আমরা কথাও কহিঘ ন!. যিনি আমাদিগের কবিতাঁর ভীষাঁদোষ দেখাইয়া, তাহ! শুদ্ধ করিয়! 1নবেন, আমর তীহাদিগের কথাই বিলক্ষণ ভক্তি সহকারে আবণ করব |

বোধ হয়, পাঠক শুনিয়া বিরক্ত হইবেন না, লিখিবাঁর সময়ে সেই সেই স্থলে অপরিহাধ্য হইরাঁছিল বলিয়া সপগুম সর্গে অগভা? কতকগুলি ডর শব্দের প্রয়োগ করিতে হইয়াছে বস্তুর নাঁমগ বাঁক্দল। ভাষাঁয় অতি অণ্প আছ্ছে। কথায় কথার সংস্কৃত অভিধানের সাহায্য লইতে হয় | সুতরাং, ওরূপ স্থলে আমাদিগকে অবশাই মার্জনা করিতে হইবে |

শ্রযশোদনন্দন সরকার |

জেংগ্রাম মাঘ ১২৭৭ সাল

প্রথম সর্গ।

ত/জিয়া হিরণ্য-প্ুরী অরণ্যে বিহার বাল্মীকিরসন1দেশে বসতি তোমার অর্থের অর্খিনী নও অধনকিস্করী

কে জানে তোমার মায়! সারদ] স্বন্দরি বসন ভুঁষণ নাই বাল্মীকির ঘরে

আপনা আপনি আলো ভুষণে কি করে বরদে তোমার বরে সকলি হুইল ?

বনের বানরে সেই সিন্ধু বান্ধীইল নিমেষে নুতন সৃষ্টি যদি মনে কর। কস্পনারূপিণী তুমি কত মায় ধর

এথম সগগ |

পতি বিনা কমলিনী ডুবিবাঁরে চায় ক্পনে তোঁমার মায়া উপজিল তায় অনেক দিনের পথ অকণের ঘর ঘটাঁইলে ভাল তুমি রাঙ্গী বটে বর বিবাহ হুইল বটে ভাবে কমলিনী চাহিয়? পথের পীনে চির-বিরহ্ছিণী দেখিয়া সখীর শোক ভ্রমরী গুমরে। শৌকে কাঁদে তীর-তক পত্রধারা! ঝরে মজিল কুলের বালা তোমারি ঘটনে তাই কি সতত সতী ভাব মনে মনে কি আর কণ্পনা দেবি ভাবিয়া অসুখ তুমি কি করিবে যার বিধ'তা বিমুখ | মনে কি পড়ে না! দেবি সেদিন তোমার যে দিন পড়িল] রণে রাবণকুমার আপনি করিলে গীন বাল্ীকির বনে 1 যে রূপে সোণার লঙ্কা পুরিল ক্রন্দনে বিধির বিপাক এই ভাবিলে কি হয়। ইক্দ্রজিৎ পড়ে রণে বানরের জয় অমরে জিনিয়। পতি আপনি মরিল। লঙ্কার প্রমীলা কত কান্দিতে লাগিল বাজিল বিজয়ভঙ্কা গর্জিল বানর সুরাঁসুর যক্ষ রক্ষ কাঁপিল কিন্তুর গড্জিয়া অঙ্গদ বীর সিংহুনাদ দিল | বারদর্পে মহীলক্ষে লঙ্কী চমকিল

শক্তিশেল |

চলিল। লক্ষণ বীর করে করবাল।

যে করে খণ্ডিত আজি লঙ্কার কপাল যে করে খণ্ডিত আজি লঙ্কা চুড়ামণি। লঙ্কেশিতনয় সেই লঙ্কা'র তরণি হুঙ্কার ছাড়িয়! বীর পবননন্দন

পশ্চিমে সাঁগরকুলে দিলা সন্দর্শন নয়নে রক্তের ধারা নিশ্বাস গভীর 1 চকিয়া চকিয়া চক্ষে চাঁছে মহাবীর ৰকধিরে বসন রাঙ্গা রক্ত কলেবরে। কুঙ্কুম খেলিলা যেন লঙ্কীর সমরে

না মরে ব্রহ্মার বরে অগ্জনাতনয় | নতুবা সংগ্রামে আজি হইত মংশর যার শরে গজরাঁজ এররাবত বীর | বদন ব্যাদিয়। ভয়ে কুঞ্চিল শরীর | শৃওড গুটাইল ঘটে উদরে লাস্কুল। পৃষ্ঠোপরি বজ্পাঁণি ভাঁবিরা আকুল ভরতলে পড়িল মালা দিব্য পারিজাত। খসিল হাতের বজ্ঞ শিরে বজাঁঘাত সংগ্রামে শুনিয়। যার বিজয়-টক্কাঁর | সে দিন বানর-সৈন্যে গেল হাহাকার থখকুক অন্যের কথ1 রাম বন্দী রণে। ভাঁগ্যে ছিল বৈনতেয় বাচিলা জীবনে হার রে বিজয়-লক্ষনী চির কাল নর সময় কুটিল অতি কখন কি হয়

প্রথম সর্গ।

বনচারী বনবাঁসী বনের বানর অনায়াসে দেখ আজি লজ্িল সাগর আজি সে দেবেক্দ্র-বৈরী পড়িলা সমরে। কিরীট কাড়িয়া কপি বারদর্প করে জিনিয়া লক্ষ্মণ বার দুঙ্জয় সমর | ধীরে ধীরে দেখ] দিলা রামের গোঁচর করে করবাল বীর রক্ত-কলেবর | রৌদ্ররস চলে যেন শাস্তির গোঁচর হাসিল সকল সৈন্য মহীকুতৃহুলা | জয়শীলে বন্ধুবর্ পরার কোলাহলা অথবা সতত যর রছে পরাজর | হুউক পরম বন্ধু তাঁহে ভক্তি নর হাসিল সুংগ্রাব বার গ্স্তীর বদনে | বদনে বিকার কিন্তু নির্বিকীর মনে হউক পরম জর হউক উদর সসার হৃদয়ে সদা শাস্তির বিজয় জর রাম বলির! উঠিয়া নল বার | আদরে ঘুচিয়া দিল বর্ষিত শরার সংবরিতে নারে নাল আনন্দ অপার প্রণয়ার চপলত সুখের বিকার হাসিয়া লক্ষমণ বার নমিলা বদন জরীার বিনীত হাস সুখের দর্শন খলিল বিজয়-বশ্ব ঝঙ্কার করিয়। | আনন্দ ঘোবিল যেন লঙ্কারে চখিযা

*ক্িশেল |

বাজিল রে শঙ্ ঘণ্টা ভেরা তুরা নাদ। রাবণ রাজার আজি বিষম প্রমাদ দ্দিকে বিজয় দস্ত দিকে উল্লাস রাঁমের বদনে শুধু ছুঃখের বিলাস বরঞ্চ দেহের কালী সময়ে না রর হৃদয়ে পভিলে কালী উঠিবার নয় পড়িল ছুজ্জয় বৈরী বিবম সমরে আনন্দ কাঁছার আজি অভ্তরে না ধরে ভুলিলা বাশের ব্যথা লক্ষ্মণ সুথীর | প্রক্ল্প নয়নবিশ্ব প্রফুল শরীর অলক্ষ্য সে সব সুখ মারার নরনে কাতির হইল রীম হেরিরা ল্মমণে কথায় কথার যার আত্মবিস্মরণ | ধ্যানমগ্ন-সমভাব বাহার নরন অবশ্য যাহাঁর মনে চিন্তার বিজয় সদ্যোজাত স্ুখ ছুঃখ তাঁর লক্ষ্য নয় ধীরে ধীরে প্রণাম করিল সন্মান ঈবৎ হাঁসিয়। রাম নয়ন ফিরান কিঙ্করগোৌচর এই অনন্যগোচর | প্রভৃর মধুর হাস সুখের আদর প্রকাণ্ড মুকুট করে করে ঝলমল বিছ্যুৎ সমান প্রভা মহামহোৌজ্ভ্বল হীরকে নির্বিত মধ্য মহাদাণ্ডিমান্‌ পদ্ারাগ মণি মুখে ভাঙ্ষর সমান

প্রথম সর্গথ |

অপুর্ব ব্রন্মীর মুর্তি পশ্চিম বিভাগে! পশ্গাতে পূর্ণিমধচন্দ্র জ্বলে মহারাঁগে | পূর্বদিকে মহাশ্‌্ক্গ সমেক অচল বিরচিল! বিশ্বকর্মা! মহাকুতৃহুল | বৈছুধ্য মণির হারে কাঞ্চনের ছটা নৈখতে জলদজালে বিদ্যুতের ঘটা অপ্ুর্ব্ব অশ্মির কোণে উল্কার পতন | বঞ্রু বেগে ধুমকেতু করে পলায়ন ঈশানে অলস অঙ্গে সহ প্রেত দলে ঈম্শান বিলাসী সুখে মন্দীকিনী-জলে বাঁকণে সন্ধ্যার তাঁরা হাসে খল খল উপরি বৈকৃণঠপুরী এ্রুব স্ুবিমল দক্ষিণ সাগর নীল ভাম্করের তলে কাছে বসি শুক্রা্গার্য্য ছেরে কুতহছলে অপূর্ব মুকুট খাঁন অপুর্ব গঠন রামের চরণে বার করিল অর্পণ ধূমকেতু গ্রহ তাঁরা প্রতিমার জ্বলে ভুবন খসিয়া ফেন পড়িল ভূতলে চাহিরা সুকুট বিশ্বে দেখিতে না পার নরন চাপিরা কুরে বানর পলার নির্্ল মুকুট তলে ফলিল বদন ! নান! দিকে নানা কথা কহে নানা জন পন্য বীর ইক্দ্রজিহৎ ধন্য মার! জানে নরন করিল কাণা গুকুটের বাণে

শক্ভিশেল |

সে দিন ভল্মখক্ষ এক আলির! সমরে কটাঁক্ষে দছিয়! গেল সহজ্র বানরে ইর্সিতে অঙ্গদ বীর বুঝিয়া সময় দেখিয়া কপির ভ্রান্তি নানা কথা কয় কে জানে কেমন ভাই রাক্ষসের মারা মুকুট ভিতরে যেন স্মুগ্রীবের ছাঁয়] হ্যা দেখ সুবল কাঁক। কি অলক্ষণ সুকুট ভিতরে যেন ঠাকুর লব্দমণ ন] জনি গবাক্ষ বুড়া কেমনে চুকিল কেমনে হইবে বারি কিছু না ভাবিল দর্পণে ফলিল যদি নিজের বদন | অজ্ঞনি ভাবিয়। কপি শুনিয়া বচন উরঃ কীপে ছুক ছুক নিশ্বাস সঘন লাম্্ল পড়িল ভূমে বিহ্বল নয়ন আস্তে আস্তে কাছে যায় নিমেষ না নড়ে চরণে করিয়! স্পর্শ চীৎকরিয়া পড়ে কহিতে লাশিল কপি স্থলিত বচন রাক্ষস বাঁনরী ইছে আছে অগণন দেখিয়! কপির ভ্রান্তি হাসে রযুবীর। হাঁনিয় শিবিরে গেল অঙ্গদ সুধীর একে একে প্রণাময়! উঠিল সকালে চলিল বাঁনরসৈন্য মহা কোলাহলে হউক পাষাণ তবু আত্মীয়ের মন। চাছিয়! মুকুট পানে কান্দে বিভীবণ

প্রথম সর্প |

হাহ] পু ইক্দ্রজিৎ গুণের নিধাঁন। কি আর কান্দি বা আমি মায়াবী পাষাণ গঠিল আমীরে বিধি আত্মনাশকারী সন্তানঘাতক আমি হইয়] সংসারী হিত বাক্যে বিপরীত না হয় মনন ! চরণ হাঁনিল! তাই ভাই দশীনন অদেোষে আমারে বিধি করিল ভিখারী জীবন-যাঁপক আমি রঘুদেব-দ্বারী রাজনীতি কাঁলকুট বুঝিতে না পারি আপন কল্যাণে আমি তনয়ে সহঙস্থারি অভাঁগিনী সরমংর অঞ্চলের ধন আমারি মন্ত্রণা পীঁশে সীধিল জীবন কার তারে প্রজীহীন রাঁজত্ব লইরা

২সাঁরী হইব আমি তনয়ে বধিয়া রাখিব দাঁকণ কথা জলধির কুলে আপনি দংশিয়া কোপে আপন অঙ্গলে আদরে হদয়ে কত পালিয়। তোমায় 'অনায়সে বলি শেবে যৃত্যুর উপায় খডাঁনছি আঁমি রে মায়াবী বিভীষণ ? আমার সন্ধানে এই তোমার মরণ

এই রূপে বিভীষণ করিলা রোদন

স্বগীব সদয়ে দিলা এবোধ বচন মননে সরল ভাব কর হীন নয় দিকে পরম বেরা দিকে সদর

শক্তিশেল |

ঠী

সহজে দয়ালু রাঁম দেখিয়। অধীর বিভীষণ সংবরিল! নয়নের নীর

কাহার আনন্দ-দিন কাহার সংস্থার রাক্ষস সেনার আজি মহা হাহাকার

কি রূপে সংবাদ দিবে লঙ্কার ভিসরে। মিলিয়া সকল সৈন্য যুক্তি চিন্তা করে

ভগ্মদ্ত বলে হার লঙ্কাপুরী দেখা ধার কেমনে প্রবেশ আজি করিব উহ্হায়

কেমনে প্রভুর বাস প্রভুনিন্দ বছে দাস প্রভুর মুখের হানি কেমনে ল,কায় |!

ইতি ইক্দ্রজিন্মুকুটবর্ণনা নাঁম প্রথম সঙ

দ্বিতীয় সর্গ

জ্মেক গিরির শঙ্গে লঙ্কার নির্মাণ লঙ্কার পরিখা শোঁভে আপান সাগর অমুল্য মাণিক মুক্তা লঙ্কীর সাগরে দেবের ছুল্ল'ভ পুরী লঙ্কার নগর

মন্দারঁকনী-নদী-তীরে দেবের নিলয় ভোগবতী-নদী-পাঁরে পাতাল নগর কিন্নরনগরে বহে গঙ্গী আর নদী লঙ্কার চরণে বান্ধা আপনি সাঁগর

জানি অহে ভাগীরথি মহিমা তোমার যে জন্য সাগর সহ সঙ্গম খেলাও লঙ্ক(র নুতন নিত্য হরির সন্দেশ লঙ্কার সুখের সখা শঙ্করে ভুলাও

না জানি কখন্‌ কোথা লঙ্কাঁর রাবণ

থর থর কাঁপে ভয়ে সুর-পারিজাতি। আপনি বাঁসর-মশি জানিতে সংবাদ লহ্গার সাগর দিয়া করে যাতায়াত

ছিতীয় সর্গ |

সাগর শয়ন-সুখী উঠিতে না পারে কে দেয় জলের ছটণ লঙ্কীর বাস্ছিরে ভয়ে ভীত নিশানাথ ভাবিয়? উপায় ধরিয়া আপন করে ভুলে জলখিরে

অমরা-পুরীর পতি যে প্লুরীর দ্বারে অফ্টাদশ পুরী এই সেই লঙ্কাপুরী | মরদাঁনবের সঙ্গে মিলিয়া জুবীর বিশ্বকর্মা বিরচিল' বিশ্বের চণভুরী

ভাঙ্গিব ৰলিয়া বলী বজ্পাণি যাঁর

হুঙ্কার করিয়খ বজ্‌ হাঁনিল সে দিন। ফিরিল নিজের বজ্‌ নিজের মাথায় কাল-দণ্ড পলাইল ভাবিয়া মলিন

কপালে মাঁণিক জ্বলে অতি অপরূপ চারি দিকে চারি চাক লঙ্কাার তোরণ দিবস নিশীথে যেন নয়ন চাহিয়? সমুদ্র-লহরী প্ুরী,করে ৰিলোকন

দিক-পাঁল দীনব দেবের ভয়ঙ্কর দ্বারবান্‌ দীণ্ডাইয়া দও্ বাঁম করে দক্ষিণে প্রকাণ্ড জাঠা প্রচ্ড-গঠন বিছ্যুৎ সমান জ্বলে ভাস্করের করে

প্রাচীর হইয়] পার পুরীর ভিতরে প্রবেশ করিল দত স্তম্তিত-চরণ

১৭

শাক্তিশৈেল

সমুদ্র লহ্রী-লীলা খেলে যেই খানে পাতাল-স্ুরঙ্গ দিয়া করিয়] গমন

বিনা দৌষে রয়ুনাথ করিলা বন্ধন লঙ্িলা বানর-সৈন্যে জীবনে কি সর তাই বা শৌকের ভরে উক্ছ'সে জলি ছুবেল! রাজার বাচী উপনীত হয়

প্রবল বৈরীর করে অবশ্য বিজয়

কি আর করিবে সিন্ধু কে বা রক্ষা করে তরু কি মনের ক্ষোভ সহজে পলা গজ্জন বিতরে কণী বিশিয়া বিবরে

কি আর প্রবাল মুক্তা মাণিক ভূষণে অমুলা মাণিক সেই ম্বাধীনতা-ধন | তাই বা মনের শোকে রাঁকণ-ভবনে প্রস্তর-পুলিনে সিন্ধু করে সম্পতন

প্রবিশিল ভগ্ম-দূত পরিখার পারে অপুর্ব্ব পৃতনা-পুরী মহাভয়ঙ্কর জর-মদে পুরা-চুড়া লজ্ঘিল গগন দেখিয়া দেবের পুরা কম্প-কলেবর পাষাঁণে রচিত দেহ কে জনে রচিল্‌ পাষাণ স্ফ.টিয় যায় দেছের স্ফোটনে একে সৈনিক জাতি তাহাতে রাক্ষস পাঁষুণ বিদরে দরে চাহিলে নয়নে

দ্বিতীয় সর্শ। ১৩

নয়ন কুচীরে মগ্ন দর্শন কুটিল কপাল পরম উচ্চ নিশ্বাস গভীর লম্ষিত বিপুল ওষ্ঠ সুদীর্ঘ চিবুক বন্ধুর কপোল-দেশ বিশাল শরীর

হাহা হিহ্ী কোলাহল আমোদে মাতিয়া স্থখের বাকণী-সখী অঙ্গ আবেশিল পাঁচীরে ঝনিল মাথা চরণে ঢলিয়! পর্বত-শ্িখরে যেন বজ্তু টঙ্করিল

লম্ফ দিয়া কুতুহছলে বদন ব্যাদিয়। চুম্বন করিল কেহ ঘোটকীর গলে পলার অস্থির ঘোটা দশন-জ্বালায় গঁরিল সকল সৈন্য হাস্য কোলাহলে

নয়নে সুরিয় চায় আদরে ঢলিয়া তজ্জিয়। করিনী-শ্িরে করে মুষ্ট্যাঘাত আপনি আপন মদে আপনা বিস্ম,ত শৃওীঘাঁতে হত গণ্ড না করে দৃক্পাত

হৃদয়ে কধির ঝরে দস্তের ছেদনে মধু-মদে মত্ত মল্প করে নিরীক্ষণ উঠিল সহুদা মনে অশ্মির সংশয় চী২কার করিয় বেগে করে চংক্রেমণ

শুনিয়া সৈনিক দলে মহ্ধাকৌলাহুল চাহিয়া সেনার পতি আরক্ত নয়নে

১৪

শৃক্ভিশেল 1.

প্রহারে দুর্জয় গদা পৃষ্টের উপরি চীৎকার করিয়া যল্প লুকায় ভবনে

অছরে আমুধ-পুরী অপুর্র্ব রচনা সদাই আলোঁক-ময়া অস্ত্রের কিরণে গর্ভিণীর গর্ভভার ঘাতকের পাঁপ অন্তরের তেজন্যিতা না রয় গোপনে

সুরপুরী হত-শোভা যাহার শিখায় এই সেই নন্দন-বনের দাবানল এই সে আয়ুধ-পুরী রাঁবণের পুরে সপ্ত্ধ্য সম তেজে দহে তৃমণ্ডল

দক্ষিণ পৃতনা-পুরে বন্দীর ভবন নীরব হইয়া! ৰহে আপনি পবন পলায় সুর্যের বেটা রাক্ষসের ভয়ে আপনি সমরে বন্দী সহআ-লোচন |

স্মরিয়া বাঁণের ব্যথা দেবের সমরে দান্তে দন্ত নিপীড়িয়? চাহে নিশাচর গবাক্ষ-বিবরে চাহে জ্বলন্ত নয়নে দেখিয়া দেবতা-বন্দী কাঁপে থর থর |

বসন তিতিয়1! যায় নয়নের জলে হাঁহাঁকারে মহাঁকারা প্রতিনাদ করে বাঁতুল হইয়া বন্দী শেশকের জ্বালায় মনের বেদন1 গার প্রহরী গোচরে

দ্বিতীয় সর্গ | ১৫

স্বর্গের দেবতা আমি সুখী চির দিন পারিজা'ত তুলি আমি নন্দনের বনে অপ্সরা-রূপসী মোরে সদা হাসি হাসি কি স্গথে রহিব আমি রাঁবণ-ভবনে

আর না যাইব আমি পারিজত-বনে আর না ঢুকিব কতু ইন্দ্রের ভবনে শ্শচীর ভবনে আঁর বহিব না কুল সন্ন্যাসী হইব আমি স্বর্গের কাননে

প্রীণের প্রেয়সী মোর কান্দিতে লাশিল কান্দিল। জননী কত পথে দাগ্ডাইয়া রাত! রাক্ষস তবু মারা না বুল বসন বান্ধষিয়। গলে আনিল ধরির]

অসংখ্য বানর বন্দী প্রর্বব চমু-প্গুরে বদন ফিরিরণ রছে গবাক্ষের দ্বারে কত দিনে উদ্ধীরিবে ঠাকুর লক্ষণ কত দিনে লক্ষে ঝম্পে দহিবে লঙ্কারে

মনে কি পড়ে না সেই চচত্রকুট-বন পাথরে শয়ন আর ঝরণার জল

কি শোকে অস্গুখী তবে লঙ্কার কারায় কি দোষে সৌনার শয্যা শয়ন গরল

এতই কি গিরি-গুহা শরনের আুখ তৰ-শাখা এতই কি স্থুখের আসন !

শক্কিশেল

এতই কি সুমধুর কাননের ফল মৃুগসখ।? এতই কি মনের মনন

আহা! কি সুখের ভ্রম স্বধীনত নাম হার কি সুখের সেই স্বাধীন ভ্রমণ বরঞ্ সিন্ধ,র তীরে সমরে মরণ নপুনও লঙ্কার গ্রহে কাঞ্চনে শয়ন

পশ্চিম পৃতনা-পুরে পুর-শৌভাকর রাজ-সভা পুর শৌভে মহামনোহর স্বর্গমর্ত-পাতীল-বিজয়ী কচিমাঁন_ আপনি রাবণ রাজ যাহার ঈশ্বর

রণ-বন্দা কুবের বৰুণ পুরন্দর

প্রবেশ করিল যবে লঙ্কার সভায় দেখিয়! পুরার শোভা ভাঁবিতে লাগিলা। প্রলোকে বিধি বুঝি দিলা দেবতায়

কি বা শোৌভে দেবসভা মন্দাকিনী-কুলে কেন আকিঞ্চন তায় লভিবার তরে ভবনদা ধৈতরণাঁ কেন হয় পার

বৈকু%, রহিলা যদি লঙ্কার সাগরে

রথয় নাগের পতি মণিরত্ব তরে গুৰকভরা বস্ুুক্ধরা ধরিলা মাথার দেখুক কেমন শোভা লঙ্কাঁর সভায় মাণিক সোপানে কত গড়াগড়ি বার

দ্বিতীক্ সর্ণ | ১৭

রাবণ পরমধৈরী লঙ্কাঁয় কে যায়

কে বা আর রাজনীতি শিখায় তনয়ে রাজ-ছুত নহে হিংস্য ভাঁবিয়া দেবেশ জয়ন্তে রাখিল! ছুত লঙ্কার আলয়ে

চন্দ্রহুর্ম্য-লীলাখেলা সাগরের জলে চারি দিকে লঙ্কা-পুরী সাঁগরে মণ্তিত। সাগরে উদ্দিত অস্ত গ্রহ তারাপতি জ্যৌতিষে লঙ্কার সভা সহজে পণ্ডিত

পৃতনা-পুরীর পাঁরে বহে তরঙ্গিণী বিচিত্র রমণী-পুরী তরকঙ্গিণী পীরে রথা শোভে সুরপুরে সুর-তরক্িণী স্থরত-রঙ্গিণী শোভে মিছা চক্দ্রহারে

বুঝি দেখা যায় অশোকের পুরী অশোকের পুরী কিন্তু শোকের ভবন বয়োদোষে বিশ্বকর্্মী সকলি ভুলিল। কি নীম গঠিতে শিয়া কি নাম গঠন

সোনার প্রাচীর চাঁরি পার্্ময় যেমন আকার নয় তেমন প্রকার থাকুক ফণায় মণি থাকিলে কি হুয় উদয়ে অনাথ] কেন্ছ করে হাহাকার

হউক শোকের বন পঞ্চবটী বন

বিজনে প্রণয়ি-সঙ্গ শোকের নয় ! ৮৬,

১৮৮

শক্তিশেল |

হউক অশোৌক-বন চাঁক উপৰন বিফল হইলে আর সুখের কি হয়

কে তুমি কনক-লতা! অশোকের তলে কর-ভরে অলসিয়া অশোৌক-শীখায় বাম পদে দিয়। ভর দক্ষিণ চরণে অধোমুখী কি ভাবিয়া কি লিখ ধরায়

একে তরল ভাঙে সহজে কাতর কপৌোোল আপন ভার সহিতে না পীরে হেরিয় দক্ষিণ ভুজ দিল উপাঁধান ঢলিয়। পড়িল বেণী নিতশ্বের পারে

খন্িল ধরণী-তলে হৃদয়-বসন ভানসিল কমলকলি কাস্তি-সরোবরে থারে বহে শূন্য ভরে নয়নের জল পলায় চেভনা-দখী শ্বসিরা কাতরে

অদূরে সরমা-পুুরে সরমা সুন্দরী পতি-বিরহিণী সতী পুত্রবিয়োশিনী | কুউক রাক্ষস-যোনি যোশিনীর ভাব কৌমুদী রবির সুতা নহে সন্তাপিনী

কণ্টকী-লতায় ফুল অভাব নয় প্রস্তরে মাণিক-লাভ নহ্হে অসম্ভব | ছুশ্মতি-রাবণ-গুহে সরমা-সঙ্ষতি

নহে অপরূপ কিংবা নহে অভিনব

ছিতীয় সর্শ |

শন্য ভাব সরমণর তরণীর শোকে

বৃখায় সংসার আর মিছা আ'র বাদী অঙ্গনে সোনার থালা গড়াগক্তি যায় পড়িয়া ধাসের বনে মুক্তা পরিপাঁগি

মরদানবের পুরী অপুর্ব-নির্মীণ ময়দখনবের কন্যা আপনি বথায় আপনি সন্দেশ-বাহী মলয় পবন আপনি রাবণ রাজা নিত্য আসে যায়

চক্দ্রকাস্ত-মশিময় অঙ্গন-বিভাগ

তরঙ্গ খেলায় যেন তমৌহর-করে গ্রহের বিতানে শোঁভে পঘ্মরাগ-মণি কহলার সমীন তার পতিবিশ্ব ধরে

স্করটিকে রচিত ভিত্তি অর্ছে বা কি নাই কে জাঁনে কিসের দ্বার দেখিতে না পাঁয়। আপনি রাবণ রাজা কত শত বার

বেশ করিতে শিয়া ঠেকিল। মাথায়

অপুর্ধ গৃহের মাঝে দর্পণ-রচনা

একা মন্দেঃদরী শৌভে শত মন্দেখদরী স্বেরিয়। বিংশতি-বাহু ভাবিয়া আকুল একেরে ধরিতে শিয়া আরে পাছে ধরি

বিবিধ কুস্ুম-লতা অঙ্গনের পারে ঢলির়। কুস্ুম-রসে জমর খেলায়

হক

শক্তিশেল |

কি আর অপরূপ শরন-মন্দিরে ভ্রমর খেলায় কত কুতস্মম-লতায়

অদুরে পরম শোভে কেলি-সরোবর কলহংস করে কেলি কেলি-সরোবরে শিহুরে কামিনী-কুল কলহৎস-কলে কণতর কামীর কুল কামিনীর তরে

কেলি-কদশ্বক-কুলে ভাবিয়া! ভাবিয়া আদরে বকুল-মূলে রাখিয়! বসন ঝীপিয়। কামিনী কেছ সরসীর জলে চাছির। বকুল-তলে কছে বিবরণ

কি রে বালাই দিদি লাজে মরে বাই কে ধরিবে তাঁয় হায় কহি বা কাঁহায় আকুল ভাবিয়া সই অকুল পাঁথার দুকুল হুরিল চোরে বকুল-তলায়

কেলি-সরোবর-পুরী-প্রীচীরের পারে অদূরে প্রমীলা-পুরী দেখা যার বারণ করিলা তবু না শুনিলা নাথ

না জানি বিধাতা বুঝি ঘটায় কি দায়

আর কি ফিরিবে সেই জিনিরা সমরে লঙ্কার সমর আজি মহ্থাভয়হর কুপিয়ধছে নাগ-পাশ-জ্লায় জুলিয়। সন্গ্যাসী সীভার পতি মহ্ধথনুর্ধর

দ্বিতীয় সর্গ | ২১

দর্পণ ধরিয়! দেবী কুম্তল সাজায় আদরে হৃদয়-দেশে ঈষৎ চাহিয়1 | বাঁকিয়া দক্ষিণে বামে হেরিয়া বদন আপনি দর্পণে চাহে অ+পনি হাসির

প্রমীলা-পুরীর পীরে রত্তের ভবনে নিকষ নিকধা-পুরে করে হাহাকার কন্দল করয়ে বুড়ী স্ুুর্পনখা সনে সর্মনশী মজাইল সকল সংসার

রাজীর মহ্বী তুই গ্রহথস্থের বেচী পঞ্চবটী বনে কি না গেলি তাড়াতাড়ি আমার বেটার দ্বারী দেব পুরন্দর তুই কি না গেলি এক সন্যাঁসীর বাড়ী

কোথা গেলি কুস্তকর্ণ বাপ রে আমাঁর তোমা বিনে শুন্য পুরী দেখা দাও বাঁপ। কোথা অরে বাপধন অক্ষর-কুষার

কে মোর বাছারে দিল মরণের শাপ

সীতা যে মানুষ নয় জমি কি জানি না আচম্বিতে জন্মিল মেদিনী ফুটিয়! কান্দিলে মুক্তা ঝরে কি অলক্ষণ সে কি না লঙ্কীর মীঝে বসিল জুড়িয়]

প্রাণ বিনা দেহ যেন গন্ধ বিনা ফুল বন্ধৃতা প্রয়ান বিনা দত্ত বিন! শূর।

চে

শক্তিশেল |

যুক্তি বিনা তর্কবাদ জ্ঞান বিনা মন কুস্তকর্ণ বিনা শোভে কুস্তকর্ণ-পুর তুঙ্গ পুরী শত-দবার মহা-পরিসর চুর্ণ-হীন গৃহ-ভিত্তি নির্বীসের ভরে 1 বিশ্শাল সুবর্ণ-ঘউ মদিরা-কলস কুস্তকর্ণ-গরিমার পরিচর করে

অদরে সুচাঁক লীলা-চতুরঙ্গ-পুর আর স্বরূপ খেলা চতুরঙ্গ খলয়ে ! বা অর্শ রথ গজ রথা মন্ত্রিবল মহারাজ শশব্যস্ড' পদাতির ভয়ে

পাখী গায় কল রবে পশু করে নদ সে রাজীর বাঁড়ী মন্দ্রা-ভবন শিখি-শ্শিখ! করি-কর সকলে আহত সে দিন দহছিল সবে পবন-নন্দন

দহিয়া হৃদয়-তাঁপে পুরীর পবন বন্দিনা বন্দিনী-পুরে করে স্বাহাকার হেরিয়া বিজয়-লক্ষী হাসিয়া আকুল দয়ণ-দেবী পলাইলা সাগরের পার

অবমান ভয় নাঁই মদনের মনে অভিতাপ অভিশখপ ন1! মানে বারণ ভাল বীর জর-লম্ষমী তোমার সন্তান আনন্দে পীড়ন করে বন্দিনী-ভবন

দ্বিতীয় সর্গ | ২৩

সাগরে গ্রশীস্ত ভাব নহে অপরূপ হরিণ বসতি করে শীর্দ,ল-কাননে মুনির অভাব নাই দস্যময় দেশে চিন্তা-পুর শৌভে রাবণ-ভবনে 4

সুচীক কুজুম-শৌভা কানন-বাঁসিনী বন্ছ দুরে চন্দ্র-পুরে কৌমুদীর ধাম পাতল-বাসুকিপুরে মণির নিলয়

কে জানে কাহার ঘরে চিন্তার. বিরাম

পরনারী-পরায়ণ পরম পিশাচ

মদন বিজয়ী যার সে জয়ী কি জয়ী ! তাই বা জানকী-চোৌরে কহিতে সন্দেশ জয়ি-পুরে বাস করে পুরী চিন্তাময়ী

চারি দিকে তৰ-লতা শৃন্যময় ভব রীবণের চিন্তা-পুরে পবন না সরে ধীরে ধীরে দেখা দেয় রবির আলোক গাভীর গহনে যেন যাতায়'ত করে

গৃহের উপরি দিয়া রাক্ষসের ভয়ে আকাশ-বিহ্বারী কেহ উড়িয়া ন1 যায় না ঝরে ঝঙ্কার দিয় গাছের পল্লব

কি জানি রাজার পাছে ধ্যান ভঙ্গ পায়

অদুরে শিবের পুর চিন্তা-পুর-পারে কে আর করিবে আজি শিব সন্দর্শন।

২৪ শক্ভিশেল |

শুনিয়া লঙ্কার দ্বারে মহা! কোলাহল ধীরে ধীরে চিস্তা-পুরে বিশিলা রাবণ নাজানি কিসের ভঙ্কা কাপিল সকল লঙ্কা কপিকুলে না জানি কিসের কোলাহল প্রাণ যে কেমন করে কে জীন কিসের তরে আমার দেহ মন হুইল বিকল

প্রীণের ভরপা সেই শিয়ীছে সমরে | কেন আজি রণ-বার্তী ন। এল অত্বারে ভাবিয়া কপোল-তলে কর বিন্যাসিয়া বনিল লঙ্কীর পতি উষ্ঙ নিশ্বসিয়।

ইতি লক্কাপুরবণনা নাঁম দ্বিতীয় সর্গ।

তৃতীয় সর্গ॥

৮0৩0০

সে পৃতনা-পুরী বাঁজে ভেরী তুরী আকুল রাজার দূত ভাবির1-ভাবিয়1 | সৈনিকের কল কল অন্ত্যভুমি-কোলাহুল স্মরণে সহসা যেন দিল উপজিয়1 সেই সেনা সেই পুরী নেই বিজর-তুরী দেই সকলি তরু কোথায় সে ভোব একের বিকারে হর আরের বিকার-লয় সঙংসখরের দে€ষ নই নরনের দৌঁষ

কালমুখী কুস্তনসা পুরীর পঞ্চম দম্প। স্র্পনখ। সর্ববনাঁশী না হয় মরণ

অথবা কি দোষ তার কার দেষ নহে কার নিজের দোঁবের দোষী রাজা দশশাীনন

সকলি বিধির খেলা মিছামিছি যায় বেলা কি আর ভাবিয় আমি এভুর কিন্কর

বিলম্ব হইলে পরে কি জানি কোপের ভরে রাজ-দণ্ড দিবে গলে দশমুওখর

হিত বুঝাইতে শিয়ী নয়নে নয়ন দিয়! চির দিন গুহ-হীন রাজা বিভীষণ

নাজানি কেমন রোৌোষ না জানি কেমন তোঁষ প্রভুর মনের গতি জসদণই কেমন

৬.

২৬

শর্তিশেল !

রাজ-ধর্ রাঁজ-রীতি রাঁজ-দও রাঁজ-নীতি প্রভুর প্রজার প্রতি নাই অপ্রতুল পরের কুমতি-হীরী হুরিল পরের নারী নিজের মতির কেহ নয় প্রতিফুল জিনিয়া বমের পুরী বিজয়ে ঘোষিলা! তুরী ভুবনের শঙ্কা লঙ্কার ঈশ্বর | নর-বানরের করে সবংশে মরিল পরে বিধির মীরণ মন্ত্রে নাই আড়ম্বর শুনিলে শোকের কথা হৃদয়ে হউক ব্যথা পরনারী-পরায়ণ তখনি সংবরে আহা! সেই মন্দোদরী স্ুরশীন্তি-সহচরী দাকণ তনয়-শৌকে নাজানি কি করে পতির অমন যতি সতীর নাহিক গতি পুত্রের প্রতাপ স্থুখে জীবন-যাঁপন ভালবাসা ভালবামি সকলি মুখের হাঁসি পত়্ীর প্রণরী রাজা পুত্রের কারণ॥ সেদিন অমরাঁলয়ে ছুরন্ত-বাসব-জয়ে রাণীর ভবনে দিয়া শুভ দমাচার | কত দিকে কত জন লভিল বিপুল ধন এবার রাণীর ধরে শুধু হাহাকার এইরূপ তগ্ম-দৃক্ড ভাবিয়া ভবিষ্য ভূত পশ্চিম পৃতনা-পুরে দিল সন্দর্শন। সাগর ফেণের ছলে নিশ্বসে পরিখা-ভলে আবীর বন্ধন বুঝি কপালে লিখন

ভূতীয় সর্গ | ২৭

হাসির! পৃতনাপতি আঁনিয়। তুরিত গতি জিজ্ঞীসির! কুতুহছলে রণ-বিবরণ অআশচন্থিতে শুন্য সুখে: ফিরিলা শিবির-দুখে অখকণশ হইতে এই ভূতলে পতন কি শুনি অনুচিত বিধি-পন্থা' বিপরীত বর-পুত্র ইন্দ্রজিৎ পড়িলা সমরে | খেল রে সোনার লঙ্কা স্কুচিল যমের শঙ্কা হুঙ্কণরে পুরিল ধর বনের বাঁনরে বুঝিতে কি ছিল আর কে আর ভরসা কার গদ] হীতে কুস্তকর্ণ পড়িল যখন | তথাপি ভরলা দিয়া নাগপাঁশী ুষ্কারিয়া সাধের সমরে শ্লিয়া সাধিলা মরণ ত্রিভুবন শ্ন্যাকার উপায় না দেখি আর সংসারে শরণ নাই ভয় পাই পরলোকে পুরন্দর ভুবনে বানর নর রসাতলে বলি বৈরী কোথায় পলাই নিদাকণ বমদূত ভয়ে ভীত সর্ব ভূত লঙ্কাায় সে ভয় নাই রাক্ষসের ঘরে সে ভান ঘুচিল আজি বানরে জিনিল আজি শ্শীন হইল পুরী সন্ব্যাসীর শরে জয়-মদে লক্ষ দিয়া নন্দন-কাননে শিয়। অআবণে পরিয়। সাধে সম্তীনক ফল। ক্পতৰ বিনাশিয়া শজ্জিরা হুঙ্কার দিয়! কে আর ভেটিবে শিয়। মন্দাকিনী-কৃল॥

২৮

শক্তিশেল |

কে আর বিজয়ি বেশে স্ুরনদী-তীরদেশে স্ুর-নন্দিনীর কেশে করিবে বিলীস। ভয় নাই ভয় নাই জল মাঝে এস যাই না! য'ও লইব বলে বলিয়। সহাস কে আর হুঙ্কীর দিরা পুন্রীম নরকে শিয়া জয়-মদে কুস্তীপাঁক নরকে ন"মিয়া | পাতকী ধরিয়া করে উঠির1 বিজয়-ভরে বৈকু-নগরে তারে দেবে উদ্ধারিয়া চহিয়! যমের পানে কে আর এঁধিক বাঁণে যম-দণ্ড বিদারিয়! করিয়া! হুষ্কীর | ক্কিযণ বিজয়-তুরী সন্ধিরা শমন-পুরা কম্পিত যমানী-শিরে দিবে চর্ণভার কে আর অযৃতাগারে প্রবেশিয়া অহঙ্কারে জলন্ত বৈষ্ণব চক্রে দিয়া কর-ভার 1 ছিন্ন ভিন্ন কলেবর তথাপি অমর্ষ-পর জ্বলন্ত অমর-ভক্ষ্যে করিবে থৃৎকার পলাও রে ঘণ্টা-কর্ণ গজ-জঙ্ঘ কাল-বর্ণ ব্রঙ্গাশন কাঁল-কেতু পলাঞ পলাও শচীর কষ্টের হার দূরে কর পরিহার ইন্দ্রের চরণে ধর ভাল যদি চাও পলাও গো পুরবালা বড় ঘরে বড জ্বালা রজ-ঘরে রাণী হওর়! চির দিন নয় ! সন্ব্যাসী সীতার পতি চরমে পরম গতি পঞ্চব্ঠী চল সতি বিলম্ব না দয়

তৃতীয় সর্গ | ২৯

পলাও রে বসা-গন্ধ বথায বিজয়ে অন্ধ ইন্দ্রের রমণী-পুরী বৃথায় দহিলি। সন্ব্যাসী বানর-সৈন্যে লঙ্কীর দহনদৈন্যে হুষ্কার সাধিবে আজি কি তার ভাবিলি পরের বিজয়ে বলী পরদস্ে কোলাহলী পরের শুনিয়া কথ] নিজের চলন ঘুচিলে মস্তক-ভার হস্ত পদ হান-সাঁর পরের মরণে এই নিজের মরণ পরনারী-পরায়ণ পরধন-বিনাশন পরসঙ্গে সদ বাদী রাজা দশানন প্রভুর যেমন মতি পুরীর তেমনি গতি অনেক পাঁপের পীপা লঙ্কাপুবকজন মভরে বকণ-প্রির। গুহের ভিতরে গিয়া মকরাক্ষ তোর ভয়ে কাঁপে থর থর তুই কি না তাঁর নাসা পছ্বাশন্ধ-বহ-বাঁস। ছি ডিলি ভূষার লৌভে অধম কিন্কুর ভয়ে ভীত চিত্রর আপনি খসায় নথ প্রেয়সীর কর্ণ-ভূষা করিয়া বিদুর | তবু তুই লৌভ-মদে করকুল্প কোকনদে বর্ষিলি কধির-ধারা সে রাজ-বধুর বসন কাঁড়িয়া নিলি কপোল ছিড়িয়। দিলি বিন দৌষে গালি দিলি সন্যীসি-নিকরে সেই পপে সেই তাপে সেই সব অভিশাপে লঙ্কার মরণ আজি ন্ব্যাসীর করে

শর্তিশেল |

এই রূপে রক্ষী জন ভয়ে ভীত অনুক্ষণ নানা দিকে নানা কথা করে আলাপন গবাক্ষ-বিবর-ভাগে হদয়ের অনুরাগে শ্ববণ-কলহ করে আুর-বন্দী জন॥ সৈনিকের কল কলে প্রহরীর কোলাহলে উদ্বেল হুইয়া বহে জপ্পনা-সাঁগর। দক্ষিণে তরঙ্গ দয়া উত্তর বিভাগে শিয়। প্রবেশ করিল শেষে রমণী-নগর যুচিলগ তনয়-তরি মিহা আর মন্দোদরি সার-সাশর-কুলে বনির। বসিয়া | ঘন ঘোর অন্ধকার পশ্চিম ভীষণাঁকাঁর ছর্বার অশনি-ভার আইসে গজ্জিরা। বুথায় পুজিল' সতী জটিল প্রমথ-প্তি পতির কল্যাণে মিছ। দেবী আরাধিলা দেব দেবী শিবা শিবে কে বা আর আরাঁধিবে বলীর সকলে সখ! হার গো প্রমীলা কে জানে কেমন সতি কালের কুটিল গতি কুলের কামিনী কেন কানন-বাসিনী একের কাননে বাদ আরের বিজয়-নাশ একের মাথার জটা অপরে যোগখিনী এই রূপে শূন্য ভরে শুন্য-বাণী গান করে মন্দৌদরী মহ্থা ভরে পুরীর বাহির চরণে দাকণী লাগে কপাট কপাল-ভাগে প্রীচীর বাজিয়া শিরে চমকে শরীর

ভূতীয় সর্থ | ৩১

শৃন্য-মতি মহারাণী বদন ত্যজিয়! বাণী নিশ্বীস-দহন-ভয়ে অন্তরে লুকীয়। নয়ন কাতর অতি জীবন পাঁষাণ-মতি বন্ধন-বিহীন তরু যাইয়া! না যায় আলু খালু কেশপাঁশ ধলায় ধুষর বাঁস কুম্তল ক'পিয়। সারা দেখিয়] শুনিয়া দকণ শোকের ভাঁরে চরণ চলিতে নারে চিন্তাপুর ধায় রাণী রাবণ ল্মরিয়] আদুরে প্রমীলা সতী মোহ-ভরে মৃছুগতি আকুল ভাবিয়া যেন অকুল পাথারে চির দিন রাঁজ-মানে কখন না শোক জানে আর বিষন জ্বলা কান্দিতে না পীরে বলবতী ব্যথাঁনদী তরঙ্গ ধরিল বদি প্রীস্তারে যাইতে চাঁছে অন্তরে ন। ধরে তাই বা ঘর্ষের ছলে হৃদয়-গিরির গলে বর্ঝর ধারায় নির্ঝর প্রসরে রাণীর শরীরে বাস অসুখ শাস্তি বারমাস দাকণ দয়িত-তাঁপ কেমনে সংবরে। বন্ধন যুচিল যার. মে কেন বহিবে ভার তাই বা! হৃদয় তাঁপী বসন পাসরে চরণে করধির-ধারা অৰুণ নয়ন-তারা বিনা দৌঁষে বিধি বাঁদী জীবনে ন]1 সয় ধুলায় ধুষর শির দয়! নাই ধরণীর সিন্দুর মুছিয়া দিলা শৌকের সময়

৩২

শক্তিশেল |

কপালে কির ঝরে কঙ্কুণ বিলাপ করে বঙ্কাঁর করিয়া কান্দে চরণে নুপুর গল-দেশে মণিহার ছিন্ন ভিন্ন দশসাঁর সখীর শোকের শোকে সবাই বিধুর আহা মরি ঠাঁকুরাণী . কে হেন দাকণ বাণী কে হেন সময়ে আজি কহিলা তোমায় কান্দে সব নিশাচরী আহা মরি মরি মরি য়ের গুণের কথা কহনে না যাঁর বিধির বিধানে ছাই কার ভাগে সুখ নাই কে জানে কপালে দিদি কাহার কেমন ! রাঁজরাণী রাজ-বালা তার কেন হেন জ্ালা কেন বা এমন দিনে কপালে এমন কছিবারে ভয় বাসি কোথাকার সর্বনাঁশী শরাঁবিনী একুনছিল অশোকের বনে 1 দিবা নিশি উপবাসী কাল সুখে নাই হাঁসি কি জানি কি তপে জপে আপনার মনে এই ূপে সহচরী কিন্কুরী রজনী-চরী রাণীর ভবনে করে মহা কোলাহল পিঞ্জরে সারিকা কাদে. বিনাইরা অনুবাদে কল-হৎস কেলি-গহে করে কল কল 'অদরে জননা ধায় বাতুল হরিণী প্রার কাতর চাতকী যেন মেঘনাদ-শোকে মণিমালা ঝলমল একাঁবলী সুচপল চপল চমকে যেন রবির আলোকে

তৃতী্ব সর্গ | ৩১৯

পুরমারী শত শত পাছে পাঁছে দ্রতগত কল্লোল করিয়া যেন জাহ্নবী খেলায়

চারি দিকে হাহাৰাণী প্রলয় সমান রাণী শোক-দিস্ধু যুবরাণী চরণে লুঠায়

ময়দাঁনবের কন্যা রূপে গুণে মহী-ধন্যা দেব-রাজ যার পদে বন্দনা-শরণ

সে আজি ধরণীতলে ভাঁসিল নয়ন-জলে মরণ তোমার কচি কেমন কেমন

কে বুঝে কেমন লীলা দশরথে বিনাশিল! লঙ্কার হইল ভয় সিন্ধুর বন্ধান

যে খেলে সরঘূতীরে সেই তসিন্ধুর নীরে কে বলে অসংখ্য বিধি বিধি এক জন

এই রূপে ঘরে ঘরে শ্ন্য-বাণী গাঁন করে ছাহাকারে চিন্তা-পুরে চকিলা রাবণ

ত্রিপুরীরি পদ-চারে যে পুরে বিশিতে নারে সে পুরে আসিল আজি রমণী-রোদন

কি আর অপরূপ চারি দিক্‌ শৃন্য-কৃপ ভাক্কর খপিয়া যেন ধরার পড়িলা

শবণে ঝিলীর রব তক্দ্রাভাব অভিনব এক দিবসে নিশণ বিধাতা গঠিলা

এই মে শোকের ভয় হৃদয় শিথিল হয় শ্রবণ নয়ন মন সকলি কেমন

ইন্দ্রের অশনি-ভার হৃদয়ে সছিল যাঁর শোকের সায়কে আজি সেও বিচেতন

৩৪

শর্ভিশেল |

শরীর-কদলী কীপে বিষম বিষম তাঁপে হয়ে প্রবল ধারে বছে ঘর্ম-জল ! চরণে কম্পন তায় অবশ সকল কায় বসিলা লঙ্কার পতি ভ'বিয়1 বিকল ক্ষণকে চেতন-লয় ক্ষণকে চেতন? হয় ক্ষণক পাঁতীলে যেন প্রবিশে ধরণী ধরির1 তরবী-লীলা দশণননে দেখা দিলা মহামায়া মোহমরী দেবী পুরাঁতনী কপালে পাহশুর ছটা শিরে শোঁভে রম-জটা দ-তার নরন-জল বছে ছু নয়নে কুন্তালে জন্ডিত সুখ নিশা1-শেষে অময়ুখ চন্দ্রমী গলিত যেন অশোকের বনে ছিন্ন-মুখ ছিম-কেশ ধুলায় ধুষর-বেশ দয়ে পড়িয়া যেন অক্ষয়কুমার | করঘগে কৃন্তকর্ণ গত-মুওড হত-বর্ণ সহসার-সাঁগরে যেন করে হাহাকার ঘন ঘন বহে শ্বান নিবিড় জলদ-ব?স গভীর-শর্করী-শোভ মহাভয়ঙ্করী ! শঁবণে স্বপন শর প্রীণি-কুল-ভয়ঙ্কর [ৎসার-নাশিনী যেন কা'ল-সহচরী শবনেত্র সকধির বাঁনরে দলিত-শির সোনার সে ইন্দ্রজিৎ শোঁভে পদতলে 'অথরে নিষ্ঠর হাসি দেখিবারে ভয় বাঁলি অরি-নারী হানে বুঝি মন্দ।কিনী-জলে

তৃতীয় সর্গ। স্

শ্টী নাচে পতি-পাঁশে লঙ্কাঁর বানরী হাসে ইন্দ্র চক্দ্র রণে যেন করে হুহুষ্কার 1 বাঁনর়ে হইবে পতি পলায় প্রমীলা সতী হাহাকারে লঙ্কা যেন করে হাহাকার এই রূপে মহামারা মোহরূপী দেব-জার! রাবণের চিস্তা-পুরে করে মহীরণ হাহা-পূর্ণ অবরোধ শোৌক-ভরে কণ্টরোধ কৌপ-ভরে কঙ্কে কথা লঙ্কীর রাবণ কে তুমি কঙ্কাল-মর কবলরূপ্ী অবিনরী দাঁকণ স্বমপ্পের বেশে করিলে লঙ্ঘন কে বা তোর উপদেশ দেবের দীকণ দ্বেব জীবনে সহিতে নারে রাজা দশানন কি কহিলি সমাচার ইক্দ্রজিত নাই আর ইক্দরজিত্‌ নাই মোর তাঁও যদি সর সময়ে দ্বারের দ্বার অসময়ে পর-চারী দেবের লঙ্ঘন মোর কু সহ্য নর রহ রহ পুরন্দর এখনো! ত্রহ্মার শর এখনে অ্বয়ং ব্রহ্মা রাবণের দারা কুমন্ত্রণা কর সার রহ ১অরে ছুরাচার দশগুও-ধারী আমি যমদণ্ড-হারা এখনো সে অমরীর ৰধিরে ব্যথিত শির ' এখনো শিরের ব্রণ কেশে ঢাকে নাই এখনে! ব্রণের সাজ ভগ্র-দস্ত গজরাঁজ মস্তকে বহির। মরে শুনিবারে পাই

৬৬

শক্তিশেল |

এখনো সে যমানীর উদ্দেল ময়ন-নীর ব্রহ্মার ভবনে করে ককণীা-কখন এখনে যমের দাঁস'. ভিন্ন-কগ হৃত-নাস আকাশ-শঙ্গার জলে করে বিল্‌ঠন হউক শচীর হার ছিন্ব-ভিন্ব-দশাসাঁর বিধুর-বদন বিধু প্রমীলীর দ্বারে! মনে কি পড়ে না তার হশমুও-গদাভাঁর স্ুরবধূ-সুখ-মধু সহিবারে নারে | সকলি গিম্বাছে যার কি আর ভাঁবন? তার কি ভয় যাহীর নাই।সংসার-বন্ধন | দেখিবে আমার বল ন্বর্ণ মর্ত রসাতল ভুবনে প্রলয় আমি করিবু সাধন করিয়াছি ঘোর পাপ জীবনে পরম তাপ মরণে নরকে গতি জ'বনে মরণ গতি মুক্তি নাই যার রাজভয় নাঁছি তার ব্রহ্মীর সেবক আর নহে দশানন জিনিয়াছি দশ লৌক চরমে পরম শোক শঙ্কুরা আমারে তুমি দিলে অকারণ 'অনেক পুজনে পুজা করিয়াছি অনি-ভুঁজা এবার লিন্ধুর জলে দিব বিসঙ্জন | শিরে ধর জটাজাল ববম্‌ বাজাও গাল আরে রে মাদক-সেবী ধূজ্জ টা কুটিল। যার ঘরে করবাস তারি কর সর্ধনাঁশ লঙ্কার বাহির তুমি হও রে জটিল

ভূতীয় সর্গ |

এই রূপে কহে কথ! হৃদয়ে দাকণ ব্যথ! ক্ণেক রাবণে যেন সাধিল লয় দাঁকণ বাড়বানল দহিল সিন্ধুর জল বিংশতি ধারায় মুখে লবণাশ্ব বয় বিষম বাষ্পের ভার মুহু করে সমুদ্গীর দশ মুণ্ডে দশ নাসা বিধির গঠন ঘন ঘোষ আঁচঘ্িত জীব-লোক সশঙ্কিত কুড়ি চক্ষু রক্ত-বর্ণ কফিলা রাবণ কোপে কাঁপে দশ-গণ্ড দশ করে রাঁজ-দণ্ড দশ-দিগ্‌-জয়ী কাঁপে লঙ্কাঁর রাবণ। দশ মুণ্ডে দশ মণি বিষম প্রলয়-কণী অপার দহনে যেন করে আস্ফালন আলু থালু পট-বাঁদ স্ফ,রিত কম্তুর বাস সমীপ-পবনে মুহু করে জাগরণ পদ-ভরে পুরী কীপে উন্মাদ অশনি তাঁপে মৈনাক ভূধর যেন করে বিচরণ কপালে চন্দন গলে বিশাল বক্ষের তলে কাশ্মীর-বনজাকণ ঘর্শ-জল ঝরে কলেবর সজূস্তন অবসম্ন ভুজগণ জল-জন্তু চলে ষেন প্রলয়-সাগরে আগে ধায় পুরচরী পাছে ধায় মন্দোদরী স্ষণেক রাবণ রাজা ফিরিয়া না চায় দখকণ সংশয়-বেশ শিব-পুরে পরমেশ বিকার বুঝিয়! ভাবে অন্তরে লকায়

শক্তিশেল |

কোপে কাপে সতরঙ্গ বিশাল জকুটী-ভঙ্গ সৌদামিনী খসে যেন যজ্ঞ-সুত্রগণ |

মন্দেঁদরী স্াহাকারে তিলেক বারিতে নারে উন্মাদ-বিনয়ে কছে রাজা দশানন

রহ রহ মন্দোদরি শিবের চরণে ধরি শিবের চরণে আমি করি প্রণিপ,ত।

আণে নহে প্রণিপাত বিনিপাত বিন্দপাত শঙ্করীর শারে আগে করি খড়শাঘাত

শ্মশানে বসতি করে প্রাণি-সঙ্গ পরিহরে নগরে কেমন মায় জানে না কিঞ্িৎ।

শিবাঁদোষে সব ন্ট. নগরে শ্রুশীন-কন্ট নগরে শ্াশান-কষ্ট হা ইন্দ্রক্তিৎ

এই রূপে কটু কে সন্তঁপে হৃদয় দে দাব-দগ্ধ মহাফণী উদ্দারে গরল। শজ্্জন করিরা ধায় অদারে শুনিতে পায়

অশোঁক-বাসিনী সীতা কণ্প-কোলাহল সৎবরিতে দিগ-বাস বাঘছাল জটা-পাঁশ অদ্দুরে পবন-বেগে পুজ্জচী পলায় !

শিবা ধায় সহদল পাখী করে কোলাহল তজ্ঞিরা! রাবণ রাজা পাছে পাছে ধার

'অবসম্ন গলদেশ কম্কাঁল-বিরল বেশ নিদ্রিতনয়ন! সীতা চাহিলা নয়নে

অধর ভাবিয়! সতী নিমেষে লঙ্কার পতি

শার্দল বিশিলা যেন হরিণীর বনে

ভূতীয় সর্থ | ৬৯

বিনা মেঘে বজাঘাত আচািতে উল্কাপাত কলোল-নিপ'ত বেন তক্করপতন

কালকুট- মহাঁকৃপ বৈধব্য দাঁকণ-রূপ স্ম,খে রাবণ করে তর্জন গর্জন |

এই মে রমণী-পাঁপ জীবনের অভিশাপ এই সেই অক্ষয়-কুমার-বিঘাতিনী

গধিনীর ঘোররাৰ নগরীর জরা-ভাৰ এই সেই সিন্ধুর বন্ধন কলঙ্কিনী

যার তরে সর্বনাশ তাঁরি কর অভিলাষ

পিক ধিক ধিক মোর নরনের তার! চিনিতে নীরিলি ওরে ধিক ধিক ধিক. তোরে করাঁল-বদমা মোর ক,পাঁণের ধারা নারী-বধে অপনাম কুট-বুদ্ধি তোর রাঁম সুপ নখ! নাক কান কাঁটিল নিঘাঁত। নাম বটে নারী-চোর কুট রুদ্ধি নাই যোর আপাঁদ কাটিয়। তোরে করিব নিপাত